ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে মন্দির ঘোষণা করল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশের বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্স নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে সেটিকে সরস্বতী মন্দির হিসেবে ঘোষণা করেছে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলক আওয়াস্থির সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ঐতিহাসিক নথিপত্র ও সাহিত্য থেকে এটি প্রমাণিত হয় যে, স্থানটি পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের শাসনামলে একটি সংস্কৃত শিক্ষা কেন্দ্র ও মন্দির ছিল।

আদালতের রায়ে মুসলিম সম্প্রদায়কে বিকল্প স্থানে মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন করতে বলা হয়েছে। এর আগে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া (এএসআই) ওই স্থানে দীর্ঘ ৯৮ দিন ধরে বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালিয়ে একটি প্রতিবেদন জমা দেয়। সেই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বর্তমান কাঠামোটি একটি প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের ওপর নির্মিত হয়েছে। তবে মুসলিম পক্ষ এই সমীক্ষাকে পক্ষপাতদুষ্ট আখ্যা দিয়ে দাবি করেছে, এই স্থানটি শত শত বছর ধরে কামাল মওলা মসজিদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তেহরানে খামেনির জানাজায় লাখো মানুষের ঢল, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে প্রতিশোধের ডাক

ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে মন্দির ঘোষণা করল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট

আপডেট সময় : ০৫:২৬:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

ভারতের মধ্যপ্রদেশের বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্স নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে সেটিকে সরস্বতী মন্দির হিসেবে ঘোষণা করেছে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলক আওয়াস্থির সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ঐতিহাসিক নথিপত্র ও সাহিত্য থেকে এটি প্রমাণিত হয় যে, স্থানটি পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের শাসনামলে একটি সংস্কৃত শিক্ষা কেন্দ্র ও মন্দির ছিল।

আদালতের রায়ে মুসলিম সম্প্রদায়কে বিকল্প স্থানে মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন করতে বলা হয়েছে। এর আগে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া (এএসআই) ওই স্থানে দীর্ঘ ৯৮ দিন ধরে বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালিয়ে একটি প্রতিবেদন জমা দেয়। সেই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বর্তমান কাঠামোটি একটি প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের ওপর নির্মিত হয়েছে। তবে মুসলিম পক্ষ এই সমীক্ষাকে পক্ষপাতদুষ্ট আখ্যা দিয়ে দাবি করেছে, এই স্থানটি শত শত বছর ধরে কামাল মওলা মসজিদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।