ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনে ইরানের সঙ্গে ‘অনাক্রমণ’ চুক্তির পথে সৌদি আরব

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক উত্তেজনা কমিয়ে আনতে ইরানের সঙ্গে একটি ‘অনাক্রমণ’ চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে সৌদি আরব। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফাইনান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বিদেশি কূটনীতিকদের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। মূলত এই অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংঘাত এড়ানোর লক্ষ্যেই রিয়াদ এই কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরব ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ‘হেলসিঙ্কি চুক্তির’ আদলে একটি মডেল বিবেচনা করছে। স্নায়ুযুদ্ধের সময় শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা হ্রাস এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওই চুক্তিটি করা হয়েছিল। ইউরোপীয় দেশগুলো সৌদি আরবের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোকেও এতে শামিল হতে উৎসাহিত করছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-ইসরায়েল সংঘাত এবং গাজা ও লেবানন পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন বেশ উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে এক ধরনের আশঙ্কা কাজ করছে। এই অস্থিতিশীলতা কাটাতে এবং অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করতে সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশর একযোগে কাজ করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীতে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ শ্রমিকের মৃত্যু

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনে ইরানের সঙ্গে ‘অনাক্রমণ’ চুক্তির পথে সৌদি আরব

আপডেট সময় : ০৩:০৭:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক উত্তেজনা কমিয়ে আনতে ইরানের সঙ্গে একটি ‘অনাক্রমণ’ চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে সৌদি আরব। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফাইনান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বিদেশি কূটনীতিকদের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। মূলত এই অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংঘাত এড়ানোর লক্ষ্যেই রিয়াদ এই কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরব ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ‘হেলসিঙ্কি চুক্তির’ আদলে একটি মডেল বিবেচনা করছে। স্নায়ুযুদ্ধের সময় শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা হ্রাস এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওই চুক্তিটি করা হয়েছিল। ইউরোপীয় দেশগুলো সৌদি আরবের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোকেও এতে শামিল হতে উৎসাহিত করছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-ইসরায়েল সংঘাত এবং গাজা ও লেবানন পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন বেশ উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে এক ধরনের আশঙ্কা কাজ করছে। এই অস্থিতিশীলতা কাটাতে এবং অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করতে সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশর একযোগে কাজ করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।