ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

তাইওয়ানের স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ অপরিহার্য: বিশ্লেষক

চীনের সম্ভাব্য আগ্রাসন মোকাবিলা এবং এশীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তাইওয়ানকে অস্ত্র সহায়তা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড্রিউ থম্পসন এক সাক্ষাৎকারে জানান, তাইওয়ানকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বেইজিংকে একটি বার্তা দেওয়া সম্ভব যে, যেকোনো বিরোধ নিরসনে সামরিক শক্তির পরিবর্তে শান্তিপূর্ণ পথ বেছে নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

বিশ্লেষকদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে চীনের সাথে সম্পর্কের নানা সমীকরণ থাকলেও তাইওয়ানের জন্য বরাদ্দকৃত রেকর্ড ১১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র প্যাকেজ থেকে সরে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ। এর পেছনে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত উভয় কারণই বিদ্যমান। ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গিতে অস্ত্র বিক্রি কেবল একটি সামরিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং এটি মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পের ভিত্তি মজবুত করার এবং রপ্তানি আয় বৃদ্ধির একটি বড় উৎস।

তাছাড়া, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়েরই একটি অলিখিত সমঝোতা রয়েছে যে তারা সরাসরি কোনো সংঘাতে জড়াতে চায় না। চীনও চায় একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং কোনো বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করা থেকে বিরত থাকতে, যা ব্যর্থ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাইওয়ানকে অস্ত্র সজ্জিত করা মূলত বেইজিংয়ের ওপর একটি মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীতে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ শ্রমিকের মৃত্যু

তাইওয়ানের স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ অপরিহার্য: বিশ্লেষক

আপডেট সময় : ০১:৫৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

চীনের সম্ভাব্য আগ্রাসন মোকাবিলা এবং এশীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তাইওয়ানকে অস্ত্র সহায়তা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড্রিউ থম্পসন এক সাক্ষাৎকারে জানান, তাইওয়ানকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বেইজিংকে একটি বার্তা দেওয়া সম্ভব যে, যেকোনো বিরোধ নিরসনে সামরিক শক্তির পরিবর্তে শান্তিপূর্ণ পথ বেছে নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

বিশ্লেষকদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে চীনের সাথে সম্পর্কের নানা সমীকরণ থাকলেও তাইওয়ানের জন্য বরাদ্দকৃত রেকর্ড ১১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র প্যাকেজ থেকে সরে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ। এর পেছনে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত উভয় কারণই বিদ্যমান। ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গিতে অস্ত্র বিক্রি কেবল একটি সামরিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং এটি মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পের ভিত্তি মজবুত করার এবং রপ্তানি আয় বৃদ্ধির একটি বড় উৎস।

তাছাড়া, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়েরই একটি অলিখিত সমঝোতা রয়েছে যে তারা সরাসরি কোনো সংঘাতে জড়াতে চায় না। চীনও চায় একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং কোনো বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করা থেকে বিরত থাকতে, যা ব্যর্থ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাইওয়ানকে অস্ত্র সজ্জিত করা মূলত বেইজিংয়ের ওপর একটি মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।