ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানা হাজতে রিমান্ডে থাকা আসামির আত্মঘাতী চেষ্টা, মাদকাসক্তিকে কারণ বলছে পুলিশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানা হাজতে ছিনতাই মামলার রিমান্ডে থাকা এক আসামি নিজের শরীর নিজেই কেটে রক্তাক্ত করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন। শনিবার (৯ মে) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা হাজতে এই ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ আহত অবস্থায় ওই আসামিকে হাসপাতালে নিয়ে যায়, যেখানে তার হাতে ও গলায় একাধিক সেলাই দেওয়া হয়।

আনোয়ার হোসেন আনার (২২) নামের এই আসামি নাসিরনগর উপজেলার সোনাতলা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওবায়দুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুপুরে একটি ছিনতাই মামলার রিমান্ডে থাকা আসামিকে জেলখানা থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়। তাকে হাজতে রাখার কিছুক্ষণ পর অন্য আসামিরা রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, ওই আসামি মাদকাসক্ত এবং তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে পুরনো কাটাছেঁড়ার দাগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, হাজতে থাকায় মাদক সেবনের চাহিদা পূরণ না হওয়ায় সে নিজের শরীরকে রক্তাক্ত করেছে। কী দিয়ে সে নিজের শরীরে আঘাত করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে আবার জেলখানায় পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিজ্ঞান প্রজেক্ট ও আইডিয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানা হাজতে রিমান্ডে থাকা আসামির আত্মঘাতী চেষ্টা, মাদকাসক্তিকে কারণ বলছে পুলিশ

আপডেট সময় : ১১:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানা হাজতে ছিনতাই মামলার রিমান্ডে থাকা এক আসামি নিজের শরীর নিজেই কেটে রক্তাক্ত করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন। শনিবার (৯ মে) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা হাজতে এই ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ আহত অবস্থায় ওই আসামিকে হাসপাতালে নিয়ে যায়, যেখানে তার হাতে ও গলায় একাধিক সেলাই দেওয়া হয়।

আনোয়ার হোসেন আনার (২২) নামের এই আসামি নাসিরনগর উপজেলার সোনাতলা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওবায়দুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুপুরে একটি ছিনতাই মামলার রিমান্ডে থাকা আসামিকে জেলখানা থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়। তাকে হাজতে রাখার কিছুক্ষণ পর অন্য আসামিরা রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, ওই আসামি মাদকাসক্ত এবং তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে পুরনো কাটাছেঁড়ার দাগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, হাজতে থাকায় মাদক সেবনের চাহিদা পূরণ না হওয়ায় সে নিজের শরীরকে রক্তাক্ত করেছে। কী দিয়ে সে নিজের শরীরে আঘাত করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে আবার জেলখানায় পাঠানো হয়েছে।