ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

তামিল রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়: সুপারস্টার বিজয়ের উত্থান ও জেন-জি প্রজন্মের প্রভাব

তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে বুথফেরত জরিপগুলো (এক্সিট পোল) নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তবে সব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার বিজয় এবং তার নবগঠিত দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ (টিভিকে)। রাজনীতির ময়দানে নতুন পা রাখা বিজয়ের দল ঐতিহাসিক ভোট পেতে যাচ্ছে বলে আভাস দিচ্ছেন বিশ্লেষকেরা।

বিভিন্ন বুথফেরত জরিপ অনুযায়ী বিজয়ের দল দুই অঙ্কের ভোট পেতে পারে। এর মধ্যে একটি জরিপে বিজয়ের দলকে ১২০টি আসন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে, যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার সমান। রাজনীতিতে বিজয়ের এই উত্থানকে দক্ষিণী চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি তারকাদের সঙ্গে তুলনা করা হলেও বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিজয়ের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি কোনো প্রতিষ্ঠিত জোট ছাড়াই নির্বাচনে লড়ছেন এবং তার প্রধান শক্তি হচ্ছে ‘জেন-জি’ প্রজন্ম বা তরুণ ভোটাররা। রাজনীতিতে তার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা বা নির্দিষ্ট আদর্শিক কাঠামো না থাকলেও সামাজিক মাধ্যম এবং তার সিনেমাটিক জনপ্রিয়তা একটি বড় গণজোয়ার সৃষ্টি করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বিজয়ের এই লড়াই মূলত তামিলনাড়ুর দুই প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক দলের বিরুদ্ধে এক ত্রিপক্ষীয় লড়াই। যদি তিনি বিশাল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন, তাহলে তা হবে তামিল রাজনীতির ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ‘জেন-জি’ মুহূর্ত। আর যদি প্রয়োজনীয় আসন না-ও পান, তবুও তার সংগৃহীত বড় অঙ্কের ভোট প্রমাণ করবে যে তামিলনাড়ুর মানুষ বিকল্প কোনো পরিবর্তনের জন্য মুখিয়ে আছে। এই রাজনৈতিক অভিষেক তামিলনাড়ুর ইতিহাসে নতুন কোনো অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেনীতে ইয়াবাসহ জেলা তাঁতীদল নেতা আটক, সহযোগীও গ্রেপ্তার

তামিল রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়: সুপারস্টার বিজয়ের উত্থান ও জেন-জি প্রজন্মের প্রভাব

আপডেট সময় : ০৩:১৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে বুথফেরত জরিপগুলো (এক্সিট পোল) নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তবে সব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার বিজয় এবং তার নবগঠিত দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ (টিভিকে)। রাজনীতির ময়দানে নতুন পা রাখা বিজয়ের দল ঐতিহাসিক ভোট পেতে যাচ্ছে বলে আভাস দিচ্ছেন বিশ্লেষকেরা।

বিভিন্ন বুথফেরত জরিপ অনুযায়ী বিজয়ের দল দুই অঙ্কের ভোট পেতে পারে। এর মধ্যে একটি জরিপে বিজয়ের দলকে ১২০টি আসন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে, যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার সমান। রাজনীতিতে বিজয়ের এই উত্থানকে দক্ষিণী চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি তারকাদের সঙ্গে তুলনা করা হলেও বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিজয়ের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি কোনো প্রতিষ্ঠিত জোট ছাড়াই নির্বাচনে লড়ছেন এবং তার প্রধান শক্তি হচ্ছে ‘জেন-জি’ প্রজন্ম বা তরুণ ভোটাররা। রাজনীতিতে তার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা বা নির্দিষ্ট আদর্শিক কাঠামো না থাকলেও সামাজিক মাধ্যম এবং তার সিনেমাটিক জনপ্রিয়তা একটি বড় গণজোয়ার সৃষ্টি করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বিজয়ের এই লড়াই মূলত তামিলনাড়ুর দুই প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক দলের বিরুদ্ধে এক ত্রিপক্ষীয় লড়াই। যদি তিনি বিশাল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন, তাহলে তা হবে তামিল রাজনীতির ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ‘জেন-জি’ মুহূর্ত। আর যদি প্রয়োজনীয় আসন না-ও পান, তবুও তার সংগৃহীত বড় অঙ্কের ভোট প্রমাণ করবে যে তামিলনাড়ুর মানুষ বিকল্প কোনো পরিবর্তনের জন্য মুখিয়ে আছে। এই রাজনৈতিক অভিষেক তামিলনাড়ুর ইতিহাসে নতুন কোনো অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।