২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে কানাডার ঐতিহাসিক ৬-০ গোলের জয় ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন কানাডা ও কাতারের মধ্যকার ম্যাচ-পরবর্তী উত্তপ্ত পরিস্থিতি। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়, যা একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কিতে রূপ নেয়।
ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ‘বি’ গ্রুপের এই ম্যাচে শুরু থেকেই কাতারের খেলোয়াড়দের কঠোর ট্যাকলে ক্ষুব্ধ ছিল কানাডা। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে মিডফিল্ডার ইসমাইল কোনে মারাত্মকভাবে আহত হওয়ার পর উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। কাতারের আসিম মাদিবোর বিপজ্জনক ট্যাকলে কোনের পা ভেঙে যায় এবং তাকে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয়। এই ঘটনার জন্য মাদিবো সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। এর আগে প্রথমার্ধেও তাজন বুকানানের ওপর কঠোর চ্যালেঞ্জের কারণে কাতারের হোমাম আহমেদ লাল কার্ড পেয়েছিলেন, যার ফলে কাতার ৯ জনের দলে পরিণত হয়।
ম্যাচ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জমে থাকা ক্ষোভ বিস্ফোরিত হয়। দুই দলের খেলোয়াড়দের একে অপরকে ধাক্কা দিতে এবং উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করতে দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সতীর্থ ও কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ করতে হয়। শুধু খেলোয়াড়দের মধ্যেই নয়, কানাডার প্রধান কোচ জেসি মার্শ এবং কাতারের কোচ জুলেন লোপেতেগুইকেও সাইডলাইনে তর্কে জড়াতে দেখা যায়, যা মাঠের ঘটনার রেশ ধরে তৈরি হয়েছিল বলে জানা গেছে।
মাঠের খেলায় অবশ্য কানাডার আধিপত্য ছিল একচ্ছত্র। জনাথন ডেভিডের হ্যাটট্রিকে ৬-০ গোলের বিশাল জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা। তবে ম্যাচ শেষে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষ ও উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে, যা জয়ের আনন্দকে অনেকটাই ম্লান করে দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















