ঢাকা ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, চলমান যুদ্ধবিরতির কারণে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতা শেষ হয়ে গেছে। ফলে, এই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে কংগ্রেসের অনুমোদনের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা মানার প্রয়োজন তার নেই। আইন অনুযায়ী, সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে কংগ্রেসকে জানানোর ৬০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হয়, অন্যথায় তাকে যুদ্ধের কার্যক্রম বন্ধ করতে হয়। তবে, ট্রাম্প যুক্তি দেখিয়েছেন যে, গত মাসে ইরানের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধবিরতির কারণে এই আইন তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এখনো দীর্ঘমেয়াদী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি, যদিও ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে যে, পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরান থেকে একটি নতুন প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। গত শুক্রবার কংগ্রেস নেতাদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, ‘২০২৬ সালের ৭ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও ইরানের মধ্যে আর কোনো গুলিবিনিময় হয়নি। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যে শত্রুতামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, তা এখন শেষ হয়েছে।’

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে যে, আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়ার জন্য তেহরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তানকে দেওয়া হয়েছে, তবে প্রস্তাবটির বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, তিনি ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনায় সন্তুষ্ট নন এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি মনে করেন, যুদ্ধে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের কয়েকজন নিহত হওয়ায় তাদের নেতৃত্ব বিভ্রান্ত অবস্থায় রয়েছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড তার সামনে বিভিন্ন বিকল্প উপস্থাপন করেছে, যার মধ্যে ইরানের ওপর ব্যাপক হামলা চালানো থেকে শুরু করে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো পর্যন্ত সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত ছিল। ট্রাম্প আরও বলেছেন, তারা তাড়াহুড়ো করে সরে যাবে না, যাতে একই সমস্যা আবার ফিরে আসে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেনীতে ইয়াবাসহ জেলা তাঁতীদল নেতা আটক, সহযোগীও গ্রেপ্তার

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প

আপডেট সময় : ১১:৪৩:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, চলমান যুদ্ধবিরতির কারণে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতা শেষ হয়ে গেছে। ফলে, এই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে কংগ্রেসের অনুমোদনের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা মানার প্রয়োজন তার নেই। আইন অনুযায়ী, সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে কংগ্রেসকে জানানোর ৬০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হয়, অন্যথায় তাকে যুদ্ধের কার্যক্রম বন্ধ করতে হয়। তবে, ট্রাম্প যুক্তি দেখিয়েছেন যে, গত মাসে ইরানের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধবিরতির কারণে এই আইন তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এখনো দীর্ঘমেয়াদী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি, যদিও ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে যে, পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরান থেকে একটি নতুন প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। গত শুক্রবার কংগ্রেস নেতাদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, ‘২০২৬ সালের ৭ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও ইরানের মধ্যে আর কোনো গুলিবিনিময় হয়নি। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যে শত্রুতামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, তা এখন শেষ হয়েছে।’

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে যে, আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়ার জন্য তেহরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তানকে দেওয়া হয়েছে, তবে প্রস্তাবটির বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, তিনি ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনায় সন্তুষ্ট নন এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি মনে করেন, যুদ্ধে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের কয়েকজন নিহত হওয়ায় তাদের নেতৃত্ব বিভ্রান্ত অবস্থায় রয়েছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড তার সামনে বিভিন্ন বিকল্প উপস্থাপন করেছে, যার মধ্যে ইরানের ওপর ব্যাপক হামলা চালানো থেকে শুরু করে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো পর্যন্ত সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত ছিল। ট্রাম্প আরও বলেছেন, তারা তাড়াহুড়ো করে সরে যাবে না, যাতে একই সমস্যা আবার ফিরে আসে।