ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

দাউদকান্দিতে ‘মানবতার ভাতের হাঁড়ি’: চার বছর ধরে অসহায়দের মুখে অন্ন জোগাচ্ছে এক অনন্য উদ্যোগ

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর পশ্চিম বাজারে অসহায় ও ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে ‘মানবতার ভাতের হাঁড়ি’। স্থানীয় বাইতুন নূর জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে গত চার বছর ধরে প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের পর আয়োজন করা হচ্ছে এই বিশেষ ভোজের। যেখানে কোনো বিনিময় ছাড়াই পেট ভরে খেতে পারছেন শতাধিক গরিব, দুস্থ ও প্রতিবন্ধী মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, জুমার নামাজ শেষ হতেই মসজিদ প্রাঙ্গণে ভিড় জমান আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নিম্ন আয়ের মানুষ ও পথশিশুরা। তাদের জন্য বড় বড় ডেকচিতে রান্না করা গরম ভাত, ডাল ও মাংস পরিবেশন করা হয়। স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত দান এবং সহযোগিতায় পরিচালিত এই উদ্যোগে কখনো গরুর মাংস, আবার কখনো মুরগির মাংসের আয়োজন থাকে। এক বেলার এই তৃপ্তির আহার যেন এসব মানুষের জীবনে পরম স্বস্তি নিয়ে আসে।

মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় কয়েকজন সমাজকর্মীর তত্ত্বাবধানে এই মানবিক কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। তবে বর্তমান বাজারে নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই আয়োজন অব্যাহত রাখতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে আয়োজকদের। তারা জানিয়েছেন, সমাজের সামর্থ্যবানরা এগিয়ে এলে এই ‘সদকায়ে জারিয়া’ বা চলমান মহৎ উদ্যোগটি আরও বড় পরিসরে চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সাংবাদিকদের ভূমিকার গুরুত্ব অপরিসীম: সেলিম উদ্দিন

দাউদকান্দিতে ‘মানবতার ভাতের হাঁড়ি’: চার বছর ধরে অসহায়দের মুখে অন্ন জোগাচ্ছে এক অনন্য উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর পশ্চিম বাজারে অসহায় ও ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে ‘মানবতার ভাতের হাঁড়ি’। স্থানীয় বাইতুন নূর জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে গত চার বছর ধরে প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের পর আয়োজন করা হচ্ছে এই বিশেষ ভোজের। যেখানে কোনো বিনিময় ছাড়াই পেট ভরে খেতে পারছেন শতাধিক গরিব, দুস্থ ও প্রতিবন্ধী মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, জুমার নামাজ শেষ হতেই মসজিদ প্রাঙ্গণে ভিড় জমান আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নিম্ন আয়ের মানুষ ও পথশিশুরা। তাদের জন্য বড় বড় ডেকচিতে রান্না করা গরম ভাত, ডাল ও মাংস পরিবেশন করা হয়। স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত দান এবং সহযোগিতায় পরিচালিত এই উদ্যোগে কখনো গরুর মাংস, আবার কখনো মুরগির মাংসের আয়োজন থাকে। এক বেলার এই তৃপ্তির আহার যেন এসব মানুষের জীবনে পরম স্বস্তি নিয়ে আসে।

মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় কয়েকজন সমাজকর্মীর তত্ত্বাবধানে এই মানবিক কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। তবে বর্তমান বাজারে নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই আয়োজন অব্যাহত রাখতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে আয়োজকদের। তারা জানিয়েছেন, সমাজের সামর্থ্যবানরা এগিয়ে এলে এই ‘সদকায়ে জারিয়া’ বা চলমান মহৎ উদ্যোগটি আরও বড় পরিসরে চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।