যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সহযোগীদের ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি নৌ অবরোধের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল গত মঙ্গলবার এই তথ্য প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প মনে করেন, ইরানের সঙ্গে নতুন করে যুদ্ধ শুরু বা যুদ্ধবিরতির আলোচনার পরিবর্তে অর্থনৈতিক চাপের কৌশল গ্রহণ করা কম ঝুঁকিপূর্ণ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে আগ্রাসন শুরু করে। এই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। তবে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল জোট তাদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান ইসরাইল এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট অঞ্চলে পাল্টা হামলা চালায়। এছাড়াও, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় তেহরান।
৪০ দিন সংঘর্ষের পর ৭ এপ্রিল দুপক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে ১১ ও ১২ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দুদেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে বৈঠক হলেও তা কোনো মীমাংসা ছাড়াই শেষ হয়ে যায়। এরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেন।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র সফররত ব্রিটেনের রাজা চার্লসের সম্মানে আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় ভোজে ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনী ভালো করছে এবং তারা সেখানে সামরিকভাবে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেছে। তিনি আরও বলেন, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া হবে না।
ইরানের কাছ থেকে পাকিস্তানের মাধ্যমে পাওয়া যুদ্ধ বন্ধের নতুন প্রস্তাবনায় ট্রাম্প অসন্তুষ্ট বলে জানা গেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রস্তাবনায় ইরানের পারমাণবিক প্রকল্প নিয়ে কিছু উল্লেখ না থাকায় ট্রাম্প এটি পছন্দ করেননি। প্রস্তাব অনুসারে, প্রথম ধাপে যুদ্ধ বন্ধ করা হবে এবং ভবিষ্যতে তা আর নতুন করে শুরু হবে না বলে প্রতিশ্রুতি থাকবে।
রিপোর্টারের নাম 

























