ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

নেত্রকোনায় ফায়ার স্টেশনের সংস্কারে অনিয়ম, বরাদ্দের অঙ্ক না জেনেই প্রত্যয়ন দিলেন কর্মকর্তা

নেত্রকোনার মদন ফায়ার স্টেশনের সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অবাক করার মতো বিষয় হলো, সংস্কার কাজের জন্য কত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা জানেন না সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার, স্টেশন অফিসার কিংবা জেলা উপপরিচালক। অথচ কাজ শেষ হয়েছে মর্মে ওপরের নির্দেশে প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষর করে দিয়েছেন স্টেশন অফিসার জমিয়ত আলী।

জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের উন্নয়ন শাখা থেকে এই স্টেশনের জন্য ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৫৫ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজের মধ্যে ছিল ড্রেন নির্মাণ, রান্নাঘর ও শৌচাগার সংস্কার এবং রংকরণ। তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, কাজের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। রান্নাঘরের ভেতরের অংশে রং করা হলেও বাইরের দিকটা আগের মতোই রয়ে গেছে। সীমানা প্রাচীরের শুধু সামনের অংশে রং করে দায়সারা কাজ করা হয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘জোসনার আলো’র মালিক জাকারিয়া বরাদ্দের পরিমাণ নিয়ে অসংলগ্ন তথ্য দিয়েছেন। অন্যদিকে স্টেশন অফিসার জমিয়ত আলী স্বীকার করেছেন যে, তিনি কাজের ইস্টিমেট বা ওয়ার্ক অর্ডার দেখেননি। কেবল ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশে তিনি প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষর করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ফায়ার ফাইটার জানিয়েছেন, লোক দেখানো কিছু কাজ করে সরকারি অর্থের অপচয় করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোণায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু

নেত্রকোনায় ফায়ার স্টেশনের সংস্কারে অনিয়ম, বরাদ্দের অঙ্ক না জেনেই প্রত্যয়ন দিলেন কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

নেত্রকোনার মদন ফায়ার স্টেশনের সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অবাক করার মতো বিষয় হলো, সংস্কার কাজের জন্য কত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা জানেন না সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার, স্টেশন অফিসার কিংবা জেলা উপপরিচালক। অথচ কাজ শেষ হয়েছে মর্মে ওপরের নির্দেশে প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষর করে দিয়েছেন স্টেশন অফিসার জমিয়ত আলী।

জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের উন্নয়ন শাখা থেকে এই স্টেশনের জন্য ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৫৫ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজের মধ্যে ছিল ড্রেন নির্মাণ, রান্নাঘর ও শৌচাগার সংস্কার এবং রংকরণ। তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, কাজের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। রান্নাঘরের ভেতরের অংশে রং করা হলেও বাইরের দিকটা আগের মতোই রয়ে গেছে। সীমানা প্রাচীরের শুধু সামনের অংশে রং করে দায়সারা কাজ করা হয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘জোসনার আলো’র মালিক জাকারিয়া বরাদ্দের পরিমাণ নিয়ে অসংলগ্ন তথ্য দিয়েছেন। অন্যদিকে স্টেশন অফিসার জমিয়ত আলী স্বীকার করেছেন যে, তিনি কাজের ইস্টিমেট বা ওয়ার্ক অর্ডার দেখেননি। কেবল ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশে তিনি প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষর করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ফায়ার ফাইটার জানিয়েছেন, লোক দেখানো কিছু কাজ করে সরকারি অর্থের অপচয় করা হয়েছে।