যুক্তরাজ্যের ফিলিস্তিনপন্থি সংগঠন ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’-এর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে ১৩০ জনেরও বেশি বিশিষ্ট ব্যক্তি তাদের সমর্থন জানিয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন খ্যাতিমান লেখক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ এবং অ্যাক্টিভিস্টরা। তারা যুক্তরাজ্যের সন্ত্রাসবাদ আইনের অধীনে গ্রেপ্তার হওয়ার ঝুঁকি নিয়ে আপিল আদালতের কাছে একটি খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন আইরিশ লেখিকা স্যালি রুনি, সুইডিশ পরিবেশ অ্যাক্টিভিস্ট গ্রেটা থুনবার্গ, ব্রিটিশ সঙ্গীতশিল্পী ব্রায়ান ইনো এবং অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষকরা। তারা ‘আমরা গণহত্যার বিরোধিতা করি, আমরা প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে সমর্থন করি’ এই স্লোগানটিকে তাদের প্রচারণার মূল বার্তা হিসেবে তুলে ধরেছেন। এই গোষ্ঠীটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর থেকে এর হাজার হাজার সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারী এবং কুইন মেরি ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের অধ্যাপক পেনি গ্রিন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘গণহত্যার বিরোধিতাকারী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করা অগ্রহণযোগ্য। লেবার সরকার, যারা নিজেরাই ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসে জড়িত, তারা সব ধরনের জবাবদিহিতা এড়িয়ে যাচ্ছে।’ ‘ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস’ নামক একটি সংগঠনের মুখপাত্র জানান, যারা এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন, তারা তাদের স্বাধীনতা ও সুনামকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছেন, কারণ জীবন বাঁচানো সন্ত্রাসবাদ নয়।
উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে সন্ত্রাসবাদ আইনের অধীনে প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে নিষিদ্ধ করা হয়। এর কারণ হিসেবে বলা হয়, গোষ্ঠীটির সদস্যরা একটি রয়্যাল এয়ার ফোর্স ঘাঁটিতে প্রবেশ করে দুটি বিমানে স্প্রে-পেইন্ট করেছিল, যার ফলে প্রায় ৭ মিলিয়ন পাউন্ডের ক্ষতি হয়েছিল। এরপর থেকে যুক্তরাজ্যজুড়ে শত শত ফিলিস্তিনপন্থি কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো এবং জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা যুক্তরাজ্যে এই ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 






















