ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

কদমতলীতে নারী আনসার সদস্যের গলিত লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

রাজধানীর কদমতলী এলাকার একটি বাসা থেকে শারমিন আক্তার সেলী (২৭) নামে এক নারী আনসার সদস্যের গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুশাহিদুল ইসলাম জানান, কদমতলীর জুরাইন কমিশনার রোডের একটি ভবনের চতুর্থ তলার পূর্ব পাশের একটি ভাড়া বাসায় শারমিন তার স্বামী পরিচয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে থাকতেন। তিনি বলেন, ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় দেখা যায়, রুমের বাইরে তালা লাগানো এবং ভেতর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। আশপাশের লোকজনের উপস্থিতিতে তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ফ্লোরের ওপর পচাগলা অবস্থায় লাশটি দেখতে পাওয়া যায়। লাশের শরীরের কয়েক স্থানে কাটা জখমও ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যা করে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে পালিয়ে গেছে হত্যাকারী। আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার রাতেই লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে পাঠানো হয়।

তিনি আরও জানান, ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। রুম থেকে একটি আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে, যা থেকে জানা যায় নিহত শারমিন একজন আনসার সদস্য ছিলেন। নিহতের পরিবারের বাসা শ্যামপুরের পূর্ব দোলাইরপাড় এলাকায়। তার বাবার নাম শাহআলম হাওলাদার। বাড়ির মালিক আন্জুআরা ডলি পুলিশকে জানান, তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওই বাসায় সাত-আট মাস ধরে ভাড়া ছিলেন, তবে স্বামীর নাম তার মনে নেই। পুলিশের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বোয়ালমারীতে বেওয়ারিশ কুকুরের আতঙ্ক: তিন মাসে আক্রান্ত ৭৪ জন

কদমতলীতে নারী আনসার সদস্যের গলিত লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

আপডেট সময় : ০৩:১৩:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর কদমতলী এলাকার একটি বাসা থেকে শারমিন আক্তার সেলী (২৭) নামে এক নারী আনসার সদস্যের গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুশাহিদুল ইসলাম জানান, কদমতলীর জুরাইন কমিশনার রোডের একটি ভবনের চতুর্থ তলার পূর্ব পাশের একটি ভাড়া বাসায় শারমিন তার স্বামী পরিচয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে থাকতেন। তিনি বলেন, ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় দেখা যায়, রুমের বাইরে তালা লাগানো এবং ভেতর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। আশপাশের লোকজনের উপস্থিতিতে তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ফ্লোরের ওপর পচাগলা অবস্থায় লাশটি দেখতে পাওয়া যায়। লাশের শরীরের কয়েক স্থানে কাটা জখমও ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যা করে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে পালিয়ে গেছে হত্যাকারী। আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার রাতেই লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে পাঠানো হয়।

তিনি আরও জানান, ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। রুম থেকে একটি আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে, যা থেকে জানা যায় নিহত শারমিন একজন আনসার সদস্য ছিলেন। নিহতের পরিবারের বাসা শ্যামপুরের পূর্ব দোলাইরপাড় এলাকায়। তার বাবার নাম শাহআলম হাওলাদার। বাড়ির মালিক আন্জুআরা ডলি পুলিশকে জানান, তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওই বাসায় সাত-আট মাস ধরে ভাড়া ছিলেন, তবে স্বামীর নাম তার মনে নেই। পুলিশের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।