ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা: দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেলেন দুই কর্মকর্তা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গা কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষার প্রথম দিনেই ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, কুরআন মাজিদ বিষয়ের পরীক্ষায় ভুল প্রশ্ন ও ওএমআর শিট বিতরণের কারণে তাদের প্রায় ২৫ মিনিট সময় নষ্ট হয়। পরবর্তীতে ভুল সংশোধন করা হলেও হারানো সময়টুকু পুষিয়ে না দিয়ে মাত্র কয়েক মিনিট অতিরিক্ত সময় দিয়ে খাতা নিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর জেলা প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বিএম তারিক-উজ-জামান জানান, দায়িত্ব অবহেলার দায়ে কেন্দ্র সচিব ও সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসারকে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কেন তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় ভবিষ্যতে এমন ভুলের পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদগঞ্জে সরকারি গাছ বিক্রির অভিযোগে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা

চুয়াডাঙ্গায় ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা: দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেলেন দুই কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ০৬:০৮:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষার প্রথম দিনেই ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, কুরআন মাজিদ বিষয়ের পরীক্ষায় ভুল প্রশ্ন ও ওএমআর শিট বিতরণের কারণে তাদের প্রায় ২৫ মিনিট সময় নষ্ট হয়। পরবর্তীতে ভুল সংশোধন করা হলেও হারানো সময়টুকু পুষিয়ে না দিয়ে মাত্র কয়েক মিনিট অতিরিক্ত সময় দিয়ে খাতা নিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর জেলা প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বিএম তারিক-উজ-জামান জানান, দায়িত্ব অবহেলার দায়ে কেন্দ্র সচিব ও সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসারকে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কেন তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় ভবিষ্যতে এমন ভুলের পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা হবে।