ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার খেয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০ শিক্ষার্থী অসুস্থ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার খেয়ে ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বুধবার দুপুরে পৌর এলাকার শংকরবাটি ১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত স্কুল ফিডিং কর্মসূচির অংশ হিসেবে বেলা ১১টার দিকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাউরুটি, দুধ, কলা ও ডিম বিতরণ করা হয়। খাবার গ্রহণের কিছুক্ষণ পরেই দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে বমি, তীব্র পেটব্যথা, মাথা ঘোরা এবং চোখে জ্বালাপোড়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। আকস্মিকভাবে একের পর এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ায় পুরো বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

শিক্ষকরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং অসুস্থ শিক্ষার্থীদের আলাদা করে প্রাথমিক সেবা দেন। খবর পেয়ে অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে ছুটে আসেন এবং নিজেদের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের স্থানীয় চিকিৎসাকেন্দ্র ও ক্লিনিকে নিয়ে যান।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শামসুন্নাহার জানান, খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘গাক’-এর বিরুদ্ধে আগেও নিম্নমানের খাদ্য সরবরাহের অভিযোগ ছিল। তিনি বলেন, ‘আমরা একাধিকবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি জানিয়েছি, কিন্তু তারা একইভাবে নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করে আসছে। আজকের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’

এদিকে, ঘটনার পর সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের জেলা ফিল্ড অফিসার লিটন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনার তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে যদি কারও গাফিলতি প্রমাণিত হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পাটের ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস দেবে সরকার

স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার খেয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০ শিক্ষার্থী অসুস্থ

আপডেট সময় : ০৬:১৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার খেয়ে ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বুধবার দুপুরে পৌর এলাকার শংকরবাটি ১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত স্কুল ফিডিং কর্মসূচির অংশ হিসেবে বেলা ১১টার দিকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাউরুটি, দুধ, কলা ও ডিম বিতরণ করা হয়। খাবার গ্রহণের কিছুক্ষণ পরেই দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে বমি, তীব্র পেটব্যথা, মাথা ঘোরা এবং চোখে জ্বালাপোড়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। আকস্মিকভাবে একের পর এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ায় পুরো বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

শিক্ষকরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং অসুস্থ শিক্ষার্থীদের আলাদা করে প্রাথমিক সেবা দেন। খবর পেয়ে অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে ছুটে আসেন এবং নিজেদের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের স্থানীয় চিকিৎসাকেন্দ্র ও ক্লিনিকে নিয়ে যান।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শামসুন্নাহার জানান, খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘গাক’-এর বিরুদ্ধে আগেও নিম্নমানের খাদ্য সরবরাহের অভিযোগ ছিল। তিনি বলেন, ‘আমরা একাধিকবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি জানিয়েছি, কিন্তু তারা একইভাবে নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করে আসছে। আজকের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’

এদিকে, ঘটনার পর সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের জেলা ফিল্ড অফিসার লিটন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনার তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে যদি কারও গাফিলতি প্রমাণিত হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।