রূপান্তরমূলক পরিবর্তন, রাজনৈতিক কৌশল প্রণয়ন এবং গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে কার্যকর বয়ান তৈরির ওপর জোর দিয়ে বক্তারা বলেছেন, পারস্পরিক আলোচনা ও অংশগ্রহণমূলক অনুশীলনের মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মীরা অন্তর্ভুক্তিমূলক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেন। এটি কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে এবং নারীর অর্থবহ রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে শক্তিশালী করবে।
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ট্রান্সফরমেটিভ চেঞ্জ মেকিং এন্ড পলিটিক্যাল স্ট্র্যাটেজি মেকিং’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এই তাগিদ দেওয়া হয়। সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) ফ্রেডরিখ-এবার্ট-স্টিফটুং (এফইএস) এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মশালায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনের তরুণ নারী কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালার উদ্বোধনী বক্তব্যে সিজিএস নির্বাহী পরিচালক পারভেজ করিম আব্বাসী, এফইএস-এর বাংলাদেশের রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. ফেলিক্স গ্রেদেস এবং এফইএস বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অ্যাডভাইজার সাধন কুমার দাস বক্তব্য রাখেন। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ড. ফেলিক্স গের্ডেস।
পারভেজ করিম আব্বাসী নারীর নির্বাচনী রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর গুরুত্ব এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে তাদের ন্যায্য অবস্থান নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ তরুণ নারী রাজনৈতিক কর্মীদের নেতৃত্বদানের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে এবং তাদের ধারণাগত জ্ঞান ও ব্যবহারিক রাজনৈতিক দক্ষতায় সমৃদ্ধ করবে। তিনি আরও জোর দেন যে, অর্থবহ রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি কেবল সংখ্যাগত প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি নয়, বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ও গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে নারীর সক্রিয় সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করাও জরুরি।
সাধন কুমার দাস অংশগ্রহণকারীদের ফ্রেডরিখ-এবার্ট-স্টিফটুং-এর কার্যক্রম ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, জার্মান রাজনৈতিক ফাউন্ডেশন হিসেবে এফইএস এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে গণতন্ত্রীকরণ, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে কাজ করছে। বাংলাদেশ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বব্যাপী ভূরাজনীতি, ভূঅর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন, শ্রম অধিকার এবং গণতান্ত্রিক শাসন নিয়ে কাজ করছে এবং স্থানীয়ভাবে রাজনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তরের কৌশলকে সমর্থন করছে।
ড. ফেলিক্স গ্রেদেস অংশগ্রহণকারীদের ট্রান্সফরমেটিভ পলিটিক্যাল চেঞ্জ ও কৌশলগত চিন্তাভাবনা নিয়ে আলোচনায় যুক্ত করেন। তিনি বলেন, সম…
রিপোর্টারের নাম 
























