ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

মতলব উত্তরে কোটি টাকার বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন এখন অকেজো

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কোটি টাকা ব্যয়ে বসানো বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনগুলো এখন পুরোপুরি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। প্রায় আট বছর আগে এসব মেশিন স্থাপন করা হলেও বর্তমানে এর কোনো সুফল পাচ্ছে না সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। অভিযোগ উঠেছে, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে বাজারমূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দামে এসব নিম্নমানের মেশিন সরবরাহ করা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উপজেলার ১৮০টি বিদ্যালয়ে এসব মেশিন স্থাপন করা হয়। প্রতিটি মেশিনের জন্য বিদ্যালয় ফান্ড থেকে ২৬ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পরিশোধ করা হলেও বাজারে একই মানের মেশিনের দাম ছিল মাত্র পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা। বর্তমানে অধিকাংশ বিদ্যালয়েই এসব মেশিনের অস্তিত্ব নেই, আর যেখানে আছে সেখানেও কোনো সংযোগ ছাড়াই দেয়ালের শোভাবর্ধন করছে। শিক্ষকদের দাবি, নিম্নমানের কারণে অল্প দিনেই মেশিনগুলো নষ্ট হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থের এমন অপচয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পান্থকুঞ্জে এক্সপ্রেসওয়ে র‌্যাম্প নির্মাণ: সমীক্ষা ও স্বচ্ছতার দাবিতে সরব নগর পরিকল্পনাবিদগণ

মতলব উত্তরে কোটি টাকার বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন এখন অকেজো

আপডেট সময় : ০১:৫৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কোটি টাকা ব্যয়ে বসানো বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনগুলো এখন পুরোপুরি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। প্রায় আট বছর আগে এসব মেশিন স্থাপন করা হলেও বর্তমানে এর কোনো সুফল পাচ্ছে না সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। অভিযোগ উঠেছে, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে বাজারমূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দামে এসব নিম্নমানের মেশিন সরবরাহ করা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উপজেলার ১৮০টি বিদ্যালয়ে এসব মেশিন স্থাপন করা হয়। প্রতিটি মেশিনের জন্য বিদ্যালয় ফান্ড থেকে ২৬ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পরিশোধ করা হলেও বাজারে একই মানের মেশিনের দাম ছিল মাত্র পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা। বর্তমানে অধিকাংশ বিদ্যালয়েই এসব মেশিনের অস্তিত্ব নেই, আর যেখানে আছে সেখানেও কোনো সংযোগ ছাড়াই দেয়ালের শোভাবর্ধন করছে। শিক্ষকদের দাবি, নিম্নমানের কারণে অল্প দিনেই মেশিনগুলো নষ্ট হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থের এমন অপচয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।