ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর প্রবাসী ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের নিকটবর্তী বারা এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলিতে আবু নাছের শামীম (৫০) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে অত্যন্ত কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। নিহতের বাড়ি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে শামীম যখন তার দোকানের সামনে নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে কথা বলছিলেন, তখন ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ২০০৭ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করা শামীম সেখানে বেশ কয়েকটি সফল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক ছিলেন। তবে সম্প্রতি একটি বড় দোকান বিক্রি করা নিয়ে স্থানীয় এক ব্যবসায়িক অংশীদারের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

নিরাপত্তার শঙ্কায় শামীম তার দোকানে বুলেটপ্রুফ গ্লাস স্থাপন এবং ব্যক্তিগত দেহরক্ষী নিয়োগ দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। নিহতের পরিবার এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে মরদেহটি দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে নীরব মানসিক স্বাস্থ্য সংকট: কারণ ও উত্তরণের পথ

দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর প্রবাসী ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় : ১০:১৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের নিকটবর্তী বারা এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলিতে আবু নাছের শামীম (৫০) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে অত্যন্ত কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। নিহতের বাড়ি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে শামীম যখন তার দোকানের সামনে নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে কথা বলছিলেন, তখন ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ২০০৭ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করা শামীম সেখানে বেশ কয়েকটি সফল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক ছিলেন। তবে সম্প্রতি একটি বড় দোকান বিক্রি করা নিয়ে স্থানীয় এক ব্যবসায়িক অংশীদারের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

নিরাপত্তার শঙ্কায় শামীম তার দোকানে বুলেটপ্রুফ গ্লাস স্থাপন এবং ব্যক্তিগত দেহরক্ষী নিয়োগ দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। নিহতের পরিবার এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে মরদেহটি দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।