জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে হেনস্তা ও দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের দুই সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম এবং কনস্টেবল রাসেল। নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (খুলশী জোন) আমিরুল রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাদের পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, একটি সংস্থার দেওয়া ভুল তথ্যের ভিত্তিতে চোরাচালান সন্দেহে নাঈম হাসানকে থানায় আনা হয়েছিল। তবে তাকে থানায় আনার পর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চিনতে পেরে দ্রুত ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু পুলিশের এই ব্যাখ্যা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, রাতে ছেড়ে দেওয়া হলেও পরদিন সকালে আবারও নাঈমের ব্যক্তিগত ব্যাগ ও মালামাল তল্লাশি করা হয়। যদি রাতেই তাকে নির্দোষ মনে করে মুক্তি দেওয়া হয়, তবে পরদিন কেন তল্লাশি চালানো হলো—এমন অসঙ্গতি নিয়ে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এই ঘটনায় নাঈম হাসানের ভাই সাব্বির আলম বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। সাবেক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের মতে, কোনো তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো অস্বাভাবিক নয়, তবে একজন জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়কে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া এভাবে হেনস্তা করা বাহিনীর ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















