ঢাকা ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

বাহুবলে মাতৃত্বকালীন ভাতা পেতে ভোগান্তি: সময়সীমার আগেই তালিকা চূড়ান্তের অভিযোগ

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রাপ্তিতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতি মাসের একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ থাকলেও, নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে করে প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত গর্ভবতী নারীরা এই বিশেষ সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিয়ম অনুযায়ী প্রতি মাসের ১ থেকে ২০ তারিখের মধ্যে অনলাইনে আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার কথা। তবে উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে ১০ তারিখের আগেই উপকারভোগী নির্বাচনের প্রক্রিয়া রহস্যজনকভাবে শেষ করে ফেলায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক নারী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কাগজপত্র জমা দিতে গিয়ে শুনছেন যে, তাদের আর সুযোগ নেই।

মিরপুর ইউনিয়নের এক ভুক্তভোগী নারী জানান, তিনি সময়মতো অনলাইনে আবেদন করলেও পরে তাকে জানানো হয় যে কোটা পূর্ণ হয়ে গেছে। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আবেদনের সময়সীমা তখনও পার হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা এই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে পুলিশের বড় অভিযান: ৪২ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী গ্রেপ্তার

বাহুবলে মাতৃত্বকালীন ভাতা পেতে ভোগান্তি: সময়সীমার আগেই তালিকা চূড়ান্তের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:০৬:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রাপ্তিতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতি মাসের একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ থাকলেও, নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে করে প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত গর্ভবতী নারীরা এই বিশেষ সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিয়ম অনুযায়ী প্রতি মাসের ১ থেকে ২০ তারিখের মধ্যে অনলাইনে আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার কথা। তবে উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে ১০ তারিখের আগেই উপকারভোগী নির্বাচনের প্রক্রিয়া রহস্যজনকভাবে শেষ করে ফেলায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক নারী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কাগজপত্র জমা দিতে গিয়ে শুনছেন যে, তাদের আর সুযোগ নেই।

মিরপুর ইউনিয়নের এক ভুক্তভোগী নারী জানান, তিনি সময়মতো অনলাইনে আবেদন করলেও পরে তাকে জানানো হয় যে কোটা পূর্ণ হয়ে গেছে। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আবেদনের সময়সীমা তখনও পার হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা এই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।