পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে দুই নারীসহ চারজনকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য মজিবুর রহমান এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। উপজেলার কাঁকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের গাবুয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
আহতরা হলেন— সমীর চন্দ্র হালদার (৫২), তার স্ত্রী সবিতা রানী (৪২), মেয়ে ঝিলিক রানী (২২) এবং ঝিলিকের চার বছরের ছেলে পিয়াস। এ ঘটনায় সোমবার সবিতা রানী বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মির্জাগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাবুয়া গ্রামের সমীর চন্দ্র হাওলাদার ও তার ভাই শংকর হাওলাদারের মধ্যে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। এর জেরে শুক্রবার দুপুরে গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান ও তার সহযোগীরা সেখানে উপস্থিত হন। অভিযোগ রয়েছে, মীমাংসা না করে মজিবুর রহমান শংকর হালদারের পক্ষ নিয়ে সমীর চন্দ্র হাওলাদার, তার স্ত্রী সবিতা রানী এবং মেয়ে ঝিলিক রানীকে গাছের ডাল দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এ সময় ঝিলিকের চার বছরের ছেলে পিয়াস মায়ের কাছে এলে তাকেও মারধর করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন এবং স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
মারধরের শিকার ঝিলিক রানী অভিযোগ করেন, তাদের বসতঘরের সামনে একটি গাছের ডাল কাটতে গেলে চাচা শংকর হাওলাদারের পক্ষ নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান ও তার সহযোগীরা তাদের ওপর হামলা চালান।
তবে, অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি দুই পক্ষের বিরোধ মীমাংসা করতে সেখানে গিয়েছিলেন এবং দেখেন যে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এতে উভয় পক্ষের লোকজন আহত হয়েছেন। তিনি বা তার সহযোগীরা কাউকে মারধর করেননি।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস সালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ পেয়েছি এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 






















