ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

অভাব জয় করে সফল উদ্যোক্তা: মাসে ৪৫ হাজার টাকা আয় করছেন কুড়িগ্রামের সেই ইমাম

একসময় মাসিক মাত্র ১৫০০ টাকা বেতনের ইমামতি দিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতেন কুড়িগ্রামের সিদ্দিকুর রহমান। মক্তব পড়িয়ে আরও ১০০০ টাকা পেলেও সেই সামান্য আয়ে দিন কাটত কষ্টে। কিন্তু অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি আজ একজন সফল নার্সারি উদ্যোক্তা। আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় তিনি গড়ে তুলেছেন ‘সাবাহ এগ্রো ভ্যালি’ নামের একটি নার্সারি, যেখান থেকে ভরা মৌসুমে তার বর্তমান মাসিক আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার টাকায়।

সিদ্দিকুর রহমানের এই সাফল্যের গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি জানান, সিদ্দিকুর রহমান প্রথমে একটি নার্সারিতে তিন বছর কাজ শিখে দক্ষতা অর্জন করেন এবং পরবর্তীতে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোক্তা প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা সহায়তা পান। বর্তমানে তিনি ফেসবুকের মাধ্যমে অনলাইনেও সবজির চারা বিক্রি করছেন। তার এই অভাবনীয় সাফল্য দেশের অন্যান্য শিক্ষিত যুবকদের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ট্রিগারে আঙুল রেখে প্রস্তুত সেনারা’, শত্রুকে কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের সেনাপ্রধানের

অভাব জয় করে সফল উদ্যোক্তা: মাসে ৪৫ হাজার টাকা আয় করছেন কুড়িগ্রামের সেই ইমাম

আপডেট সময় : ০৮:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

একসময় মাসিক মাত্র ১৫০০ টাকা বেতনের ইমামতি দিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতেন কুড়িগ্রামের সিদ্দিকুর রহমান। মক্তব পড়িয়ে আরও ১০০০ টাকা পেলেও সেই সামান্য আয়ে দিন কাটত কষ্টে। কিন্তু অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি আজ একজন সফল নার্সারি উদ্যোক্তা। আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় তিনি গড়ে তুলেছেন ‘সাবাহ এগ্রো ভ্যালি’ নামের একটি নার্সারি, যেখান থেকে ভরা মৌসুমে তার বর্তমান মাসিক আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার টাকায়।

সিদ্দিকুর রহমানের এই সাফল্যের গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি জানান, সিদ্দিকুর রহমান প্রথমে একটি নার্সারিতে তিন বছর কাজ শিখে দক্ষতা অর্জন করেন এবং পরবর্তীতে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোক্তা প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা সহায়তা পান। বর্তমানে তিনি ফেসবুকের মাধ্যমে অনলাইনেও সবজির চারা বিক্রি করছেন। তার এই অভাবনীয় সাফল্য দেশের অন্যান্য শিক্ষিত যুবকদের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।