ভোলার দৌলতখানে মেঘনা নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকাকালীন কর্মহীন জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চাল চুরির অভিযোগ উঠেছে। হাজিপুর ইউনিয়নে জনপ্রতি ৮০ কেজি করে চাল দেওয়ার সরকারি নির্দেশনা থাকলেও জেলেরা পেয়েছেন মাত্র ৫০ কেজি। অর্থাৎ প্রত্যেক জেলের বরাদ্দ থেকে ৩০ কেজি করে চাল গায়েব করে দেওয়া হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ তুলেছেন।
ক্ষুব্ধ জেলেরা জানান, তাদের হাতে ৫০ কেজির ছেঁড়া বস্তা ধরিয়ে দিয়ে বিদায় করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মাইনুর বেগম দায় এড়িয়ে সাবেক চেয়ারম্যান ও সচিবের ওপর দোষ চাপালেও সংশ্লিষ্ট সচিবকে ফোনে পাওয়া যায়নি। উপজেলা মৎস্য বিভাগ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছে, ৪৪২ জন জেলের জন্য পর্যাপ্ত চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এই অনিয়মের ঘটনায় সাধারণ জেলেদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
রিপোর্টারের নাম 

























