ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

জামালপুরে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে ভাষাসৈনিক মতি মিয়া পাঠাগার

জামালপুর জেলায় দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনন্য আলোকবর্তিকা হিসেবে দাঁড়িয়েছে ভাষাসৈনিক মতি মিয়া ফাউন্ডেশন ও পাঠাগার। ভাষাসৈনিক আক্তারুজ্জামান মতি মিয়ার স্মরণে তার ছেলে আশরাফুজ্জামান স্বাধীন ২০১৩ সালে নিজস্ব অর্থায়ন ও জায়গায় এই জ্ঞানচর্চা কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা করেন। মূলত নতুন প্রজন্মের মাঝে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও শিক্ষার প্রসার ঘটাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাঠাগারটিতে বর্তমানে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, বিশ্বখ্যাত মনীষীদের জীবনী, রবীন্দ্র-নজরুল রচনাসমগ্রসহ প্রায় দুই হাজারেরও বেশি বইয়ের সংগ্রহ রয়েছে। প্রতিদিন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এখানে এসে বই পড়ে এবং নিবন্ধনের মাধ্যমে বাড়িতেও বই নেওয়ার সুযোগ পায়। বই পড়ার পাশাপাশি এখানে নিয়মিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ফাউন্ডেশনের পরিচালক আশরাফুজ্জামান স্বাধীন জানান, ভাষা সংগ্রামীদের স্বপ্ন ছিল একটি বৈষম্যহীন ও শিক্ষিত সমাজ গঠন করা। সেই আদর্শকে বুকে ধারণ করেই এই পাঠাগার পরিচালিত হচ্ছে। শুধু বই পড়াই নয়, এই প্রতিষ্ঠানটি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিনাইদহে নির্মাণাধীন ভবনে রং করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু

জামালপুরে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে ভাষাসৈনিক মতি মিয়া পাঠাগার

আপডেট সময় : ০৪:৫২:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

জামালপুর জেলায় দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনন্য আলোকবর্তিকা হিসেবে দাঁড়িয়েছে ভাষাসৈনিক মতি মিয়া ফাউন্ডেশন ও পাঠাগার। ভাষাসৈনিক আক্তারুজ্জামান মতি মিয়ার স্মরণে তার ছেলে আশরাফুজ্জামান স্বাধীন ২০১৩ সালে নিজস্ব অর্থায়ন ও জায়গায় এই জ্ঞানচর্চা কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা করেন। মূলত নতুন প্রজন্মের মাঝে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও শিক্ষার প্রসার ঘটাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাঠাগারটিতে বর্তমানে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, বিশ্বখ্যাত মনীষীদের জীবনী, রবীন্দ্র-নজরুল রচনাসমগ্রসহ প্রায় দুই হাজারেরও বেশি বইয়ের সংগ্রহ রয়েছে। প্রতিদিন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এখানে এসে বই পড়ে এবং নিবন্ধনের মাধ্যমে বাড়িতেও বই নেওয়ার সুযোগ পায়। বই পড়ার পাশাপাশি এখানে নিয়মিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ফাউন্ডেশনের পরিচালক আশরাফুজ্জামান স্বাধীন জানান, ভাষা সংগ্রামীদের স্বপ্ন ছিল একটি বৈষম্যহীন ও শিক্ষিত সমাজ গঠন করা। সেই আদর্শকে বুকে ধারণ করেই এই পাঠাগার পরিচালিত হচ্ছে। শুধু বই পড়াই নয়, এই প্রতিষ্ঠানটি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।