ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

অস্তিত্ব সংকটে কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী বাটিক শিল্প: টিকে থাকার লড়াইয়ে কারিগররা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লার রসমালাই ও খাদির মতোই দেশজুড়ে এক সময় ব্যাপক সমাদৃত ছিল স্থানীয় বাটিক শিল্প। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে লালিত এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পটি এখন নানা প্রতিকূলতার মুখে টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব, পুঁজি সংকট এবং বাজারে চাহিদার ওঠানামার কারণে কারিগরদের দিন কাটছে চরম অনিশ্চয়তায়।

প্রায় অর্ধশতাব্দী আগে কুমিল্লা সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামে দুই ভাইয়ের হাত ধরে এই শিল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে কমলপুর ও এর আশপাশের গ্রামগুলোতে প্রায় ২৫টি ছোট-বড় কারখানা গড়ে উঠেছে। এসব কারখানায় তৈরি নান্দনিক নকশার শাড়ি, থ্রি-পিস ও পাঞ্জাবি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। কুমিল্লা নগরীর প্রায় দুই শতাধিক দোকানে এসব পণ্যের পসরা সাজানো থাকে।

ভোর হতেই ব্যস্ততা শুরু হয় কারখানাগুলোতে। গরম পানির বাষ্প আর রঙের সংমিশ্রণে কাপড়ে ফুটিয়ে তোলা হয় শৈল্পিক কারুকাজ। মোমের ব্লক আর তুলির আঁচড়ে কারিগররা যোগ করেন নতুন মাত্রা। তবে আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব ও কাঁচামালের চড়া দামের কারণে ম্লান হতে বসেছে এই শিল্পের জৌলুস। উদ্যোক্তারা মনে করেন, যথাযথ আর্থিক সহায়তা ও বাজারজাতকরণ সুবিধা পেলে কুমিল্লার এই বাটিক শিল্প আবারো তার হারানো গৌরব ফিরে পেতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিরোধী সংসদীয় এলাকায় নারী এমপিদের উন্নয়ন তদারকি: প্রধানমন্ত্রীর ব্যাখ্যা

অস্তিত্ব সংকটে কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী বাটিক শিল্প: টিকে থাকার লড়াইয়ে কারিগররা

আপডেট সময় : ১১:৫৯:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লার রসমালাই ও খাদির মতোই দেশজুড়ে এক সময় ব্যাপক সমাদৃত ছিল স্থানীয় বাটিক শিল্প। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে লালিত এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পটি এখন নানা প্রতিকূলতার মুখে টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব, পুঁজি সংকট এবং বাজারে চাহিদার ওঠানামার কারণে কারিগরদের দিন কাটছে চরম অনিশ্চয়তায়।

প্রায় অর্ধশতাব্দী আগে কুমিল্লা সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামে দুই ভাইয়ের হাত ধরে এই শিল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে কমলপুর ও এর আশপাশের গ্রামগুলোতে প্রায় ২৫টি ছোট-বড় কারখানা গড়ে উঠেছে। এসব কারখানায় তৈরি নান্দনিক নকশার শাড়ি, থ্রি-পিস ও পাঞ্জাবি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। কুমিল্লা নগরীর প্রায় দুই শতাধিক দোকানে এসব পণ্যের পসরা সাজানো থাকে।

ভোর হতেই ব্যস্ততা শুরু হয় কারখানাগুলোতে। গরম পানির বাষ্প আর রঙের সংমিশ্রণে কাপড়ে ফুটিয়ে তোলা হয় শৈল্পিক কারুকাজ। মোমের ব্লক আর তুলির আঁচড়ে কারিগররা যোগ করেন নতুন মাত্রা। তবে আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব ও কাঁচামালের চড়া দামের কারণে ম্লান হতে বসেছে এই শিল্পের জৌলুস। উদ্যোক্তারা মনে করেন, যথাযথ আর্থিক সহায়তা ও বাজারজাতকরণ সুবিধা পেলে কুমিল্লার এই বাটিক শিল্প আবারো তার হারানো গৌরব ফিরে পেতে পারে।