ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

শিবচরে বৈশাখী আমেজে ফিরে এলো বিলুপ্তপ্রায় গ্রামীণ খেলা দাড়িয়াবান্ধা

মাদারীপুরের শিবচরে পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে গ্রামবাংলার এক সময়ের জনপ্রিয় কিন্তু বর্তমানে বিলুপ্তপ্রায় খেলা ‘দাড়িয়াবান্ধা’র জমজমাট আয়োজন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মঙ্গলবার স্থানীয় উপজেলা পরিষদ মাঠে এই ঐতিহ্যবাহী খেলার প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। আধুনিকতার দাপটে হারিয়ে যেতে বসা এই গ্রামীণ খেলাটি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের দুটি পৃথক দল অংশ নেয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই খেলায় উপজেলা প্রশাসন দল জয়লাভ করে। দীর্ঘ সময় পর মাঠের লড়াইয়ে দাড়িয়াবান্ধার রোমাঞ্চ দেখতে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেক বয়স্ক দর্শক জানান, এই আয়োজন তাদের শৈশবের সেই সোনালী দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে, যখন বৈশাখ ও চৈত্র মাসে মাঠজুড়ে তরুণদের এমন পদচারণা ছিল নিত্যদিনের দৃশ্য।

শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজান জানান, গ্রামীণ ঐতিহ্যের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গই এখন হারিয়ে যাচ্ছে। দাড়িয়াবান্ধার মতো ঐতিহ্যবাহী খেলাটি সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মের ধারণা না থাকায় ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে খেলার নিয়মাবলী সংগ্রহ করে মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছিল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের দেশীয় খেলার চর্চা নিয়মিত করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রেমিট্যান্স সেবায় শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি: ‘গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ পেল ইসলামী ব্যাংক

শিবচরে বৈশাখী আমেজে ফিরে এলো বিলুপ্তপ্রায় গ্রামীণ খেলা দাড়িয়াবান্ধা

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

মাদারীপুরের শিবচরে পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে গ্রামবাংলার এক সময়ের জনপ্রিয় কিন্তু বর্তমানে বিলুপ্তপ্রায় খেলা ‘দাড়িয়াবান্ধা’র জমজমাট আয়োজন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মঙ্গলবার স্থানীয় উপজেলা পরিষদ মাঠে এই ঐতিহ্যবাহী খেলার প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। আধুনিকতার দাপটে হারিয়ে যেতে বসা এই গ্রামীণ খেলাটি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের দুটি পৃথক দল অংশ নেয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই খেলায় উপজেলা প্রশাসন দল জয়লাভ করে। দীর্ঘ সময় পর মাঠের লড়াইয়ে দাড়িয়াবান্ধার রোমাঞ্চ দেখতে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেক বয়স্ক দর্শক জানান, এই আয়োজন তাদের শৈশবের সেই সোনালী দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে, যখন বৈশাখ ও চৈত্র মাসে মাঠজুড়ে তরুণদের এমন পদচারণা ছিল নিত্যদিনের দৃশ্য।

শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজান জানান, গ্রামীণ ঐতিহ্যের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গই এখন হারিয়ে যাচ্ছে। দাড়িয়াবান্ধার মতো ঐতিহ্যবাহী খেলাটি সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মের ধারণা না থাকায় ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে খেলার নিয়মাবলী সংগ্রহ করে মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছিল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের দেশীয় খেলার চর্চা নিয়মিত করা হবে।