শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেছেন, কৃষকের কষ্ট আমরা দেখেছি, এখন তাদের স্বপ্ন পূরণের সময় এসেছে। মঙ্গলবার দুপুর ২টায় শিবগঞ্জ উপজেলার উথলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কৃষক কার্ড বিতরণ প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বহু বছর পর বগুড়ায় আসতে পেরে তিনি আনন্দিত। তিনি স্মরণ করেন, এই এলাকার মানুষের যে কষ্ট ও যন্ত্রণা তারা প্রত্যক্ষ করেছিলেন। তিনি বলেন, আমরা আবার পেয়েছি এই বাংলাদেশ গড়ার কারিগর, আপনাদের এলাকার সন্তান, আমাদের প্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে।
দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও প্রয়াত নেতাদের স্মরণ করে তিনি বলেন, আজ আমাদের মাঝে নেই দেশমাতা, নেই আরাফাত রহমান কোকো, নেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আমরা রয়েছি তার উত্তরসূরি। আল্লাহ দেশমাতাকে বেহেস্ত নসিব করুন। জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন ভাবনার প্রসঙ্গ তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কতটা সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তিতাস ব্যারাজ করেছিলেন। ৩৪.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি এই অঞ্চলকে সুজলা সুফলা করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কিলোমিটার ক্যানেল নির্মাণ করেছিলেন, যার কনসেপ্ট ছিল অত্যন্ত আধুনিক।
একই ধারাবাহিকতায় তিনি বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে জিয়া ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে কাজ করা হয়েছিল। ২০০৪ সালে ‘লিভিং উইথ দ্য ফ্লাড’ শীর্ষক সেমিনারে বন্যার সাথে খাপ খাইয়ে চলার ধারণা দেওয়া হয়েছিল, যা ছিল সময়োপযোগী চিন্তা।
কৃষকদের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজকে যখন কৃষকদের হাত তুলতে বলা হলো, দেখলাম শত শত কৃষক উপস্থিত হয়েছেন। এই সমাবেশ অন্য জায়গার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়, বরং বৃহত্তর সমাবেশ হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, কৃষকদের হাতে জুস না পৌঁছানো পর্যন্ত তিনি নিজে কিছু গ্রহণ করেননি। এই হচ্ছে আপনাদের শাহ আলম, যিনি মানুষের হৃদয় উপলব্ধি করেন।
বগুড়াকে শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে তারা বগুড়ায় বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন। সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি চালু হয়ে ছিল।
রিপোর্টারের নাম 

























