চট্টগ্রামের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ ডিসি হিল আবারও তার হারানো গৌরব ফিরে পেতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিনের অবহেলা আর বিধিনিষেধের বেড়াজাল কাটিয়ে এই নান্দনিক স্থানটিকে ঘিরে নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন নগরবাসী। বিশেষ করে পহেলা বৈশাখের মতো উৎসবে ডিসি হিলকে কেন্দ্র করে যে প্রাণের সঞ্চার হয়, তা পুনরুদ্ধারে নেওয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ।
ডিসি হিলের সঙ্গে জড়িয়ে আছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি। ১৯২৬ সালে চট্টগ্রামে এসে তিনি এই পাহাড়ের ডাক বাংলোতেই অবস্থান করেছিলেন। কবির সেই ঐতিহাসিক আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে নির্মিত নজরুল স্কোয়ার ও তার স্মৃতিচিহ্নগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অবহেলায় নষ্ট হয়ে যাওয়া গ্যালারি ও ফলকগুলো পুনরায় মেরামত করে এই স্থানটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে রূপান্তরের কাজ চলছে।
১৯৭৮ সাল থেকে শুরু হওয়া ডিসি হিলের বর্ষবরণ উৎসব চট্টগ্রামের মানুষের প্রাণের মেলায় পরিণত হয়েছে। ব্রিটিশ আমলে চাকমা রাজার বাসভবন থেকে শুরু করে আজকের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পর্যন্ত ডিসি হিলের বিবর্তন অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। নতুন করে এই স্থানটি উন্মুক্ত হওয়া এবং সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় চট্টগ্রামের শিল্প-সাহিত্য প্রেমীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























