ঢাকা ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

নাসিরনগরে তিন বছর বন্ধ থাকার পর সড়কের নির্মাণকাজ শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে দীর্ঘ তিন বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে হরিণবেড়-ফান্দাউক সড়কের নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু হয়েছে। প্রায় আট কোটি টাকার এই প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ। শনিবার সকালে সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ মেরামতের মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গুনিয়াউক ইউনিয়নের চিতনা বাজার থেকে ফান্দাউক পর্যন্ত সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে ছিল। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তে পানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ত রাস্তাটি। এতে চরম ভোগান্তিতে ছিলেন সাধারণ মানুষ। কাজ শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১৮০০ মিটার সড়ক নির্মাণের জন্য সাড়ে আট কোটি টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাসান এন্টারপ্রাইজ মাত্র ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকার কাজ করে ৭ কোটি ২১ লাখ টাকা বিল তুলে নিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল। বর্তমানে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধানে দ্রুত কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ঠিকাদার পক্ষ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অধ্যাদেশ ও সংস্কার ইস্যুতে সরকারের ইউ-টার্ন

নাসিরনগরে তিন বছর বন্ধ থাকার পর সড়কের নির্মাণকাজ শুরু

আপডেট সময় : ০৪:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে দীর্ঘ তিন বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে হরিণবেড়-ফান্দাউক সড়কের নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু হয়েছে। প্রায় আট কোটি টাকার এই প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ। শনিবার সকালে সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ মেরামতের মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গুনিয়াউক ইউনিয়নের চিতনা বাজার থেকে ফান্দাউক পর্যন্ত সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে ছিল। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তে পানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ত রাস্তাটি। এতে চরম ভোগান্তিতে ছিলেন সাধারণ মানুষ। কাজ শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১৮০০ মিটার সড়ক নির্মাণের জন্য সাড়ে আট কোটি টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাসান এন্টারপ্রাইজ মাত্র ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকার কাজ করে ৭ কোটি ২১ লাখ টাকা বিল তুলে নিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল। বর্তমানে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধানে দ্রুত কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ঠিকাদার পক্ষ।