বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিশ্বশক্তির দুই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে কূটনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এখন তুঙ্গে। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের জন্য এই দুই দেশের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা পররাষ্ট্রনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের প্রকাশ্যে চীনের প্রভাব মোকাবিলার ঘোষণা এবং চীনা দূতাবাসের কড়া প্রতিক্রিয়া এই উত্তেজনাকে আরও স্পষ্ট করেছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া প্রেক্ষাপট
বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের নানামুখী তৎপরতা দৃশ্যমান হয়:
• চীনমুখী ঝোঁক: ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সময় চীনের সাথে তিস্তা প্রকল্পের সহায়তাসহ কৌশলগত সম্পর্ক গভীর হয়। এমনকি বাংলাদেশ, চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি ত্রিদেশীয় বাণিজ্য ফোরাম গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
• যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও বাণিজ্য চুক্তি: চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে ওয়াশিংটন ঢাকাকে ক্রমাগত চাপে রাখে। এর ফলে নির্বাচনের ঠিক আগে ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি বাণিজ্য চুক্তি সই করে বাংলাদেশ, যাকে বিশ্লেষকরা বাণিজ্যের চেয়ে ‘ভূ-রাজনৈতিক উপাদান’ সমৃদ্ধ ‘ব্যাড ডিল’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
নতুন সরকারের ওপর দ্বিমুখী চাপ
ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই নতুন সরকার দুই পরাশক্তির কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট দাবি ও এজেন্ডার মুখোমুখি হচ্ছে:
রিপোর্টারের নাম 






















