ঢাকা ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

সুনামগঞ্জে হাওরের বাঁধ ভেঙে ফসলহানির শঙ্কা, কৃষকদের মধ্যে হাহাকার

সুনামগঞ্জের দেখার হাওরে আকস্মিক বাঁধ ভেঙে প্রবল বেগে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এতে শত শত একর জমির আধাপাকা বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। শনিবার দুপুরে গুজাউনি বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ দেখা দেয়। ফসল হারানোর ভয়ে অনেক কৃষককে বাঁধের পাশে দাঁড়িয়ে আহাজারি করতে দেখা যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি বিলের ইজারাদার মাছ ধরার পর বাঁধটি সঠিকভাবে মেরামত না করায় পানির চাপে তা ভেঙে গেছে। খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকেরা মিলে বাঁশ, বস্তা ও জিও ব্যাগ ব্যবহার করে বাঁধটি রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কৃষকদের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে হাজার হাজার একর জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে জরুরি ভিত্তিতে মেরামতের কাজ করছেন এবং বর্তমানে পানি ঢোকা বন্ধ রয়েছে। যদিও বাঁধটি সরাসরি পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাভুক্ত নয়, তবুও ফসল রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। সময়মতো পানি নিষ্কাশন করা সম্ভব হলে বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শর্ত না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাতিলের হুঁশিয়ারি ইরানের

সুনামগঞ্জে হাওরের বাঁধ ভেঙে ফসলহানির শঙ্কা, কৃষকদের মধ্যে হাহাকার

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

সুনামগঞ্জের দেখার হাওরে আকস্মিক বাঁধ ভেঙে প্রবল বেগে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এতে শত শত একর জমির আধাপাকা বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। শনিবার দুপুরে গুজাউনি বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ দেখা দেয়। ফসল হারানোর ভয়ে অনেক কৃষককে বাঁধের পাশে দাঁড়িয়ে আহাজারি করতে দেখা যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি বিলের ইজারাদার মাছ ধরার পর বাঁধটি সঠিকভাবে মেরামত না করায় পানির চাপে তা ভেঙে গেছে। খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকেরা মিলে বাঁশ, বস্তা ও জিও ব্যাগ ব্যবহার করে বাঁধটি রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কৃষকদের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে হাজার হাজার একর জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে জরুরি ভিত্তিতে মেরামতের কাজ করছেন এবং বর্তমানে পানি ঢোকা বন্ধ রয়েছে। যদিও বাঁধটি সরাসরি পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাভুক্ত নয়, তবুও ফসল রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। সময়মতো পানি নিষ্কাশন করা সম্ভব হলে বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।