ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

হবিগঞ্জে টানা বর্ষণে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ বোরো ফসলের মাঠ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জে গত কয়েক দিনের অবিরাম বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। জেলার বানিয়াচং, নবীগঞ্জ, আজমিরীগঞ্জ ও লাখাই উপজেলার বিভিন্ন হাওরে পানি ঢুকে পড়ায় হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান এখন পানির নিচে। বিশেষ করে নিচু এলাকার পাকা ও আধাপাকা ধান তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। অনেকের সারা বছরের খোরাকি ও ঋণের টাকা পরিশোধের স্বপ্ন এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

স্থানীয় কৃষি বিভাগের প্রাথমিক হিসেবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩০০ হেক্টর বলা হলেও কৃষকদের দাবি অনুযায়ী এর পরিমাণ আরও অনেক বেশি। রত্না নদীর পানি উপচে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। অনেক কৃষক পচন ধরার ভয়ে কাঁচা ধানই কেটে ফেলার চেষ্টা করছেন। কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করছেন। তবে দ্রুত পানি না কমলে এই ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিরোধী সংসদীয় এলাকায় নারী এমপিদের উন্নয়ন তদারকি: প্রধানমন্ত্রীর ব্যাখ্যা

হবিগঞ্জে টানা বর্ষণে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ বোরো ফসলের মাঠ

আপডেট সময় : ১০:০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

হবিগঞ্জে গত কয়েক দিনের অবিরাম বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। জেলার বানিয়াচং, নবীগঞ্জ, আজমিরীগঞ্জ ও লাখাই উপজেলার বিভিন্ন হাওরে পানি ঢুকে পড়ায় হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান এখন পানির নিচে। বিশেষ করে নিচু এলাকার পাকা ও আধাপাকা ধান তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। অনেকের সারা বছরের খোরাকি ও ঋণের টাকা পরিশোধের স্বপ্ন এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

স্থানীয় কৃষি বিভাগের প্রাথমিক হিসেবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩০০ হেক্টর বলা হলেও কৃষকদের দাবি অনুযায়ী এর পরিমাণ আরও অনেক বেশি। রত্না নদীর পানি উপচে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। অনেক কৃষক পচন ধরার ভয়ে কাঁচা ধানই কেটে ফেলার চেষ্টা করছেন। কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করছেন। তবে দ্রুত পানি না কমলে এই ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।