যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেছেন যে, অভূতপূর্ব চাপের মুখে ইরান যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে। তিনি জানান, যদি ইরান ওয়াশিংটনের শর্তাবলী প্রত্যাখ্যান করত, তবে তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু এবং তেল ও জ্বালানি অবকাঠামো হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতো। তার মতে, এমন পরিস্থিতিতে ইরানের পুনর্গঠনে কয়েক দশক সময় লাগত। তবে, দেশটির শাসকগোষ্ঠী বুঝতে পেরেছে যে একটি চুক্তিতে আসাই তাদের জন্য সর্বোত্তম বিকল্প।
হেগসেথ আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতে এমন ক্ষমতা ছিল যা কয়েক মিনিটের মধ্যেই ইরানের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে পারত, কিন্তু তিনি করুণা প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রথম যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 





















