ঢাকা ০১:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

দক্ষিণ লেবাননে ১১ হাজারের বেশি ঘর সম্পূর্ণ ধ্বংস, বহু পরিবারের ফেরার পথ নেই: জাতিসংঘ

সাম্প্রতিক সংঘর্ষে দক্ষিণ লেবাননে ১১ হাজারেরও বেশি আবাসিক ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ফলে বহু পরিবার এখন এমন অবস্থায় পড়েছে, যাদের ফিরে যাওয়ার মতো কোনো ঘর অবশিষ্ট নেই।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের জানান, নতুন এক মূল্যায়নে দেখা গেছে যে, দক্ষিণ লেবাননে সাম্প্রতিক লড়াইয়ের সময় ১১ হাজারেরও বেশি আবাসিক ভবন ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ হয়েছে। এর পাশাপাশি, আরও প্রায় ২ হাজার ২০০ ভবন আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুজারিক উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘অনেক পরিবারের জন্য এর অর্থ হলো—ফিরে যাওয়ার মতো কোনো ঘরই আর নেই। চলমান অনিশ্চয়তা, ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং বিস্ফোরিত না হওয়া অস্ত্রের ঝুঁকি নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

তবে এই প্রতিকূলতার মধ্যেও অনেক মানুষ দক্ষিণ লেবাননে ফিরে যাচ্ছেন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, মাত্র এক রাতেই প্রায় ১৯ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে নিজ নিজ এলাকায় ফিরে গেছেন। এর ফলে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষের সংখ্যা কমে বর্তমানে প্রায় ৯০ হাজারে দাঁড়িয়েছে।

জাতিসংঘ আরও জানিয়েছে যে, ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামো, নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং প্রয়োজনীয় সেবার অভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনা এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোনালদোর জোড়া গোল ও নতুন রেকর্ড: পর্তুগালের বিশাল জয়

দক্ষিণ লেবাননে ১১ হাজারের বেশি ঘর সম্পূর্ণ ধ্বংস, বহু পরিবারের ফেরার পথ নেই: জাতিসংঘ

আপডেট সময় : ১২:৩৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সাম্প্রতিক সংঘর্ষে দক্ষিণ লেবাননে ১১ হাজারেরও বেশি আবাসিক ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ফলে বহু পরিবার এখন এমন অবস্থায় পড়েছে, যাদের ফিরে যাওয়ার মতো কোনো ঘর অবশিষ্ট নেই।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের জানান, নতুন এক মূল্যায়নে দেখা গেছে যে, দক্ষিণ লেবাননে সাম্প্রতিক লড়াইয়ের সময় ১১ হাজারেরও বেশি আবাসিক ভবন ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ হয়েছে। এর পাশাপাশি, আরও প্রায় ২ হাজার ২০০ ভবন আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুজারিক উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘অনেক পরিবারের জন্য এর অর্থ হলো—ফিরে যাওয়ার মতো কোনো ঘরই আর নেই। চলমান অনিশ্চয়তা, ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং বিস্ফোরিত না হওয়া অস্ত্রের ঝুঁকি নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

তবে এই প্রতিকূলতার মধ্যেও অনেক মানুষ দক্ষিণ লেবাননে ফিরে যাচ্ছেন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, মাত্র এক রাতেই প্রায় ১৯ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে নিজ নিজ এলাকায় ফিরে গেছেন। এর ফলে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষের সংখ্যা কমে বর্তমানে প্রায় ৯০ হাজারে দাঁড়িয়েছে।

জাতিসংঘ আরও জানিয়েছে যে, ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামো, নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং প্রয়োজনীয় সেবার অভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনা এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ।