ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যকার চলমান যুদ্ধ এখন আর কেবল রণক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা ছড়িয়ে পড়েছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও গোপন গোয়েন্দা জালে। সম্প্রতি মার্কিন সাময়িকী ‘দ্য আটলান্টিক’-এর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ইউক্রেনীয় নারীদের এক দুর্ধর্ষ প্রতিরোধের গল্প। অধিকৃত অঞ্চলগুলোতে রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে পরিচালিত এই আন্দোলনে অংশ নেওয়া নারীদের স্থানীয়ভাবে ‘ভিডমা’ বা ‘ডাইনি’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে।
ইউক্রেনীয় লোকগাথায় ‘ভিডমা’ বলতে এমন নারীদের বোঝানো হয় যাদের বিশেষ জ্ঞান ও দক্ষতা রয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই নাম ব্যবহার করা হচ্ছে সেই সব নারী প্রতিরোধকর্মীদের ক্ষেত্রে, যারা অত্যন্ত গোপনে রুশ অধিকৃত এলাকায় অবস্থান করে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক তথ্য সংগ্রহ করছেন। প্রতিবেদনে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে এক রুশ সেনা মাসের পর মাস ধরে এক ইউক্রেনীয় নারীর সঙ্গে ভার্চুয়ালি সখ্যতা গড়ে তোলেন। ওই সেনা সরল বিশ্বাসে তার ক্যাম্পের একটি ছবি পাঠালে, তার ব্যাকগ্রাউন্ড বিশ্লেষণ করে ড্রোনের মাধ্যমে সেই ঘাঁটিতে হামলা চালায় ইউক্রেনীয় বাহিনী।
তবে চমকপ্রদ তথ্য হলো, সেই নারী অ্যাকাউন্টের পেছনে আসলে ছিলেন ইউক্রেনীয় সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার একজন পুরুষ কর্মকর্তা। যুদ্ধের চার বছরে ইউক্রেন তাদের কৌশলে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। এখন ছোট ছোট তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলোকে নিখুঁত সামরিক লক্ষ্যে রূপান্তর করা হচ্ছে। সাবেক ইউক্রেনীয় সংসদ সদস্য লেসিয়া ওরোবেটস জানিয়েছেন, এই নারীরা রুশ চেকপয়েন্ট অতিক্রম করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার ছদ্মবেশে অতি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে চলেছেন, যা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























