গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বড় আকারের হামলার পর ইরানে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে, যার অধিকাংশই ইরান ও লেবাননের নাগরিক। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ-এর তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানে ৩ হাজার ৬৩৬ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে শুধু মেয়েদের বিদ্যালয়ে হামলায় দেড় শতাধিক নিহত হন।
অন্যদিকে, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ জানিয়েছে, ইরানে অন্তত ১ হাজার ৯০০ জন নিহত হয়েছেন। লেবানন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২ মার্চ থেকে গতকাল পর্যন্ত ইসরাইলি হামলায় ১ হাজার ৫৩০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ১২৯ জন শিশু রয়েছে। দক্ষিণ লেবাননে পৃথক দুটি ঘটনায় ইন্দোনেশিয়ার তিনজন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীও নিহত হয়েছেন।
ইরাকের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সংকট শুরুর পর থেকে দেশটিতে অন্তত ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। ইরান ও লেবানন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রে ২৩ জন নিহত হয়েছেন বলে ইসরাইলের অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস জানিয়েছে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে ১১ জন সেনা নিহত হয়েছেন। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং তিন শতাধিক আহত হয়েছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটিতে ১৩ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে দুজন সেনা সদস্য রয়েছেন। কাতার ও কুয়েতের জলসীমায় যান্ত্রিক ত্রুটি ও অন্যান্য ঘটনায় যথাক্রমে ৭ জন এবং আরো ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পশ্চিম তীরে চার ফিলিস্তিনি নারী, সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সুয়েইদায় একটি ভবনে চারজন, বাহরাইনে দুটি পৃথক ইরানি হামলায় দুজন, ওমানের সোহার প্রদেশের একটি শিল্পাঞ্চলে ড্রোন হামলায় দুজন, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের দক্ষিণ-পূর্বে একটি আবাসিক এলাকায় প্রজেক্টাইলের আঘাতে দুজন এবং উত্তর ইরাকে ড্রোন হামলায় একজন ফরাসি সেনা নিহত হয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























