ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

রক্তঝরা চোখে বীরত্বগাঁথা: মরক্কোর জয়ের নায়ক ইসমায়েল সাইবারি

মাঠের উত্তেজনা তখন তুঙ্গে। ডান চোখের ক্ষত থেকে চুইয়ে পড়া রক্ত তখনও শুকায়নি। একটু আগেই চিকিৎসকরা রক্তমাখা জার্সি বদলে নতুন জার্সি পরিয়ে দিয়েছেন। শারীরিক ক্লান্তি আর যন্ত্রণাকে উপেক্ষা করে ইসমায়েল সাইবারি যখন পেনাল্টি নিতে দাঁড়ালেন, তখন তার ওপর ছিল পুরো জাতির প্রত্যাশার চাপ। সাইবারির জোরালো শট নেদারল্যান্ডসের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে জালে জড়াতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে মরক্কোর গ্যালারি। রক্তভেজা মুখে সতীর্থদের আলিঙ্গনে আবদ্ধ হয়ে সাইবারি হয়ে ওঠেন মরক্কোর নতুন বীর।

এবারের বিশ্বকাপে সাইবারির পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো। গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই গোল করে তিনি নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে ডাচ ডিফেন্ডারের সঙ্গে সংঘর্ষে আঘাত পেলেও মাঠ ছাড়েননি ২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। তার অদম্য মানসিকতা এবং সাহসের ওপর ভর করেই মরক্কো শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করে।

স্পেনে জন্ম এবং বেলজিয়ামে বেড়ে উঠলেও সাইবারি শেষ পর্যন্ত তার পূর্বপুরুষের দেশ মরক্কোকেই বেছে নিয়েছিলেন। ক্লাব ফুটবলে পিএসভি আইন্দহোভেনের হয়ে নিজেকে প্রস্তুত করা এই ফুটবলারের ওপর বায়ার্ন মিউনিখের মতো বড় ক্লাবগুলোর নজর রয়েছে। ম্যাচ শেষে গ্যালারিতে থাকা মায়ের সঙ্গে তার আলিঙ্গন ছিল সেই দিনের সবচেয়ে আবেগঘন দৃশ্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানকে হারিয়ে স্বস্তিতে আনচেলত্তি: ‘ধৈর্য হারাইনি, এটাই পরিপূর্ণ পারফরম্যান্স’

রক্তঝরা চোখে বীরত্বগাঁথা: মরক্কোর জয়ের নায়ক ইসমায়েল সাইবারি

আপডেট সময় : ১১:০০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

মাঠের উত্তেজনা তখন তুঙ্গে। ডান চোখের ক্ষত থেকে চুইয়ে পড়া রক্ত তখনও শুকায়নি। একটু আগেই চিকিৎসকরা রক্তমাখা জার্সি বদলে নতুন জার্সি পরিয়ে দিয়েছেন। শারীরিক ক্লান্তি আর যন্ত্রণাকে উপেক্ষা করে ইসমায়েল সাইবারি যখন পেনাল্টি নিতে দাঁড়ালেন, তখন তার ওপর ছিল পুরো জাতির প্রত্যাশার চাপ। সাইবারির জোরালো শট নেদারল্যান্ডসের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে জালে জড়াতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে মরক্কোর গ্যালারি। রক্তভেজা মুখে সতীর্থদের আলিঙ্গনে আবদ্ধ হয়ে সাইবারি হয়ে ওঠেন মরক্কোর নতুন বীর।

এবারের বিশ্বকাপে সাইবারির পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো। গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই গোল করে তিনি নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে ডাচ ডিফেন্ডারের সঙ্গে সংঘর্ষে আঘাত পেলেও মাঠ ছাড়েননি ২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। তার অদম্য মানসিকতা এবং সাহসের ওপর ভর করেই মরক্কো শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করে।

স্পেনে জন্ম এবং বেলজিয়ামে বেড়ে উঠলেও সাইবারি শেষ পর্যন্ত তার পূর্বপুরুষের দেশ মরক্কোকেই বেছে নিয়েছিলেন। ক্লাব ফুটবলে পিএসভি আইন্দহোভেনের হয়ে নিজেকে প্রস্তুত করা এই ফুটবলারের ওপর বায়ার্ন মিউনিখের মতো বড় ক্লাবগুলোর নজর রয়েছে। ম্যাচ শেষে গ্যালারিতে থাকা মায়ের সঙ্গে তার আলিঙ্গন ছিল সেই দিনের সবচেয়ে আবেগঘন দৃশ্য।