ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মার্চ মাসের বেতন ছাড় নিয়ে নতুন আপডেট

বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মার্চ মাসের বেতন ছাড়ের প্রক্রিয়া শুরু হতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। মূলত আইবাস (iBAS++) সফটওয়্যারের কারিগরি কাজ শেষ না হওয়ায় ব্যাংকে টাকা পাঠাতে দেরি হচ্ছে বলে জানা গেছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ইএমআইএস সেল সূত্রে জানা গেছে, আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে বেতনের অর্থ শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো শুরু হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ৫ এপ্রিল শিক্ষকদের বেতনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে এবং প্রয়োজনীয় সরকারি আদেশ (জিও) জারি করেছে। তবে কারিগরি জটিলতার কারণে আইবাস সিস্টেম থেকে ব্যাংকিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগছে। এই প্রক্রিয়ায় দেশের ১৭ হাজার ২৩৭টি স্কুলের ৩ লাখ ৩ হাজার ৮৮৮ জন এবং ২ হাজার ৬১৯টি কলেজের ৮৭ হাজার ৯৮২ জন শিক্ষক-কর্মচারী অধীর আগ্রহে বেতনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আশ্বস্ত করেছেন যে, কারিগরি সমস্যা সমাধানের জন্য দ্রুত কাজ চলছে। বেতন ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া মাত্রই শিক্ষকরা তাদের নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। দেশের বিশাল সংখ্যক এই শিক্ষক সমাজের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত বেতন প্রদানের চেষ্টা চালাচ্ছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় লিজেন্ডারি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলেকে শেষ বিদায়

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মার্চ মাসের বেতন ছাড় নিয়ে নতুন আপডেট

আপডেট সময় : ১২:২১:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মার্চ মাসের বেতন ছাড়ের প্রক্রিয়া শুরু হতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। মূলত আইবাস (iBAS++) সফটওয়্যারের কারিগরি কাজ শেষ না হওয়ায় ব্যাংকে টাকা পাঠাতে দেরি হচ্ছে বলে জানা গেছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ইএমআইএস সেল সূত্রে জানা গেছে, আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে বেতনের অর্থ শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো শুরু হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ৫ এপ্রিল শিক্ষকদের বেতনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে এবং প্রয়োজনীয় সরকারি আদেশ (জিও) জারি করেছে। তবে কারিগরি জটিলতার কারণে আইবাস সিস্টেম থেকে ব্যাংকিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগছে। এই প্রক্রিয়ায় দেশের ১৭ হাজার ২৩৭টি স্কুলের ৩ লাখ ৩ হাজার ৮৮৮ জন এবং ২ হাজার ৬১৯টি কলেজের ৮৭ হাজার ৯৮২ জন শিক্ষক-কর্মচারী অধীর আগ্রহে বেতনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আশ্বস্ত করেছেন যে, কারিগরি সমস্যা সমাধানের জন্য দ্রুত কাজ চলছে। বেতন ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া মাত্রই শিক্ষকরা তাদের নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। দেশের বিশাল সংখ্যক এই শিক্ষক সমাজের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত বেতন প্রদানের চেষ্টা চালাচ্ছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।