ইরান ঘোষণা করেছে যে, তারা দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশে সুপেয় পানির দুটি সংরক্ষণাগার ধ্বংস করার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিচারিক সংস্থায় মামলা করবে।
বুধবার ভোরে চালানো এই হামলায় সিরিক শহরের পানি সরবরাহ পরিকাঠামো ধ্বংস হয়ে যায়, যার ফলে কুহেস্তাক শহর এবং বেমানি জেলার ১০টি গ্রামের ২০ হাজারেরও বেশি বাসিন্দার জন্য পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এই অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি।
হরমোজগান ওয়াটার অ্যান্ড ওয়েস্টওয়াটার কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুলহামিদ হামজেহপুর বৃহস্পতিবার জানান, জলাধারগুলো ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় এই অঞ্চলের পানি সরবরাহ নেটওয়ার্কের জন্য বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে। এলাকার ভূগর্ভস্থ পানির ভান্ডার অপর্যাপ্ত হওয়ায় তাৎক্ষণিক ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব নয়।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান মার্কিন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলো জনগণের জীবনপ্রবাহ। পরিবহন ব্যবস্থা থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ ও পানি শিল্প পর্যন্ত এগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি শক্তির প্রদর্শন নয় বরং একটি জাতির হতাশার লক্ষণ।’
হরমোজগান প্রাদেশিক বিচার বিভাগের প্রধান মোজতবা কাহরামানি জানিয়েছেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় বিচারিক সংস্থাতেই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি জেনেভা কনভেনশনের ১৯৭৭ সালের প্রথম অতিরিক্ত প্রোটোকলের ৫২ এবং ৫৪ নম্বর অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করেছেন, যেখানে বেসামরিক জনগণের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য বস্তুতে আক্রমণ, ধ্বংস বা অকেজো করে দেওয়াকে স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যার মধ্যে পানি সরবরাহের সুবিধা ও জলাধারও অন্তর্ভুক্ত।
রিপোর্টারের নাম 






















