ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতিতে তেলের দামে বড় পতন, শেয়ারবাজারে স্বস্তি

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ্য করা গেছে এবং শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নিউইয়র্ক সময় অনুযায়ী এই পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় বলে রয়টার্স জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪.৫৯ ডলারে নেমে এসেছে। একইভাবে ব্রেন্ট ক্রুডের দামও প্রায় ১৫ শতাংশ কমে ৯২.৩৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতির সঙ্গে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত, কারণ বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরপরই বাজারে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় – তেলের দাম কমে, বন্ডের দাম বাড়ে এবং মার্কিন শেয়ারবাজারে উত্থান ঘটে। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক অস্থিরতার পর তেলের সরবরাহ আবার স্বাভাবিক হতে পারে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার ঠিক আগে এই ঘোষণা আসায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এর আগে ইরানের তেলক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় তেহরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকিতে বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক পতনের পরও তেলের দাম ফেব্রুয়ারির শেষের তুলনায় এখনো তুলনামূলকভাবে বেশি রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলের ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতিতে তেলের দামে বড় পতন, শেয়ারবাজারে স্বস্তি

আপডেট সময় : ১০:০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ্য করা গেছে এবং শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নিউইয়র্ক সময় অনুযায়ী এই পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় বলে রয়টার্স জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪.৫৯ ডলারে নেমে এসেছে। একইভাবে ব্রেন্ট ক্রুডের দামও প্রায় ১৫ শতাংশ কমে ৯২.৩৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতির সঙ্গে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত, কারণ বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরপরই বাজারে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় – তেলের দাম কমে, বন্ডের দাম বাড়ে এবং মার্কিন শেয়ারবাজারে উত্থান ঘটে। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক অস্থিরতার পর তেলের সরবরাহ আবার স্বাভাবিক হতে পারে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার ঠিক আগে এই ঘোষণা আসায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এর আগে ইরানের তেলক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় তেহরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকিতে বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক পতনের পরও তেলের দাম ফেব্রুয়ারির শেষের তুলনায় এখনো তুলনামূলকভাবে বেশি রয়েছে।