২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনালের পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতি নিয়ে ফুটবল বিশ্বে চলছে জোর আলোচনা। আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য এই মহোৎসবের সমাপনী দিনে ট্রাম্পের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি আগ্রহ প্রকাশ করেন, তবে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফা তাকে চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে সোনালি ট্রফি তুলে দেওয়ার মূল দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে পারে। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার এবং রাষ্ট্রপ্রধানদেরই সরাসরি বিশ্বকাপ ট্রফি স্পর্শ করার অধিকার রয়েছে। তাই ট্রাম্প চাইলে সহজেই এই বিশেষ সুযোগটি গ্রহণ করতে পারেন।
অনেকের মতে, রাষ্ট্রপ্রধানদের ট্রফি তুলে দেওয়া বিশ্বকাপের দীর্ঘদিনের প্রথার পরিপন্থী হতে পারে। তবে ফুটবল ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা। বিগত বিশ্বকাপগুলোতে আয়োজক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের উপস্থিতি ছিল নিয়মিত ঘটনা। ২০২২ বিশ্বকাপে কাতারের আমির, ২০১৮ বিশ্বকাপে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ২০১৪ সালে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলমা রুসেফ—সকলেই নিজ দেশের মাটিতে হওয়া ফাইনালে ট্রফি হস্তান্তরের মূল ভূমিকায় ছিলেন। তাই ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রফি তুলে দিলে তা কোনো নতুন রীতি ভাঙবে না, বরং বিশ্বকাপের ঐতিহ্যকেই পুনরুজ্জীবিত করবে।
ফাইনাল মঞ্চে কেবল ডোনাল্ড ট্রাম্পই নন, যৌথ আয়োজক কানাডা ও মেক্সিকোর রাষ্ট্রপ্রধান, শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং ফুটবল কর্তাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ফাইনাল হওয়ায় আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছেন ট্রাম্প। ফাইনাল মঞ্চে ট্রাম্পের উপস্থিতি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না হলেও, ফিফা সূত্রের দাবি, তিনি আগ্রহী হলে কোনো বাধা থাকবে না। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গ্যালারিতে বসে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল দলকে উৎসাহ দিতেও দেখা যেতে পারে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে।
রিপোর্টারের নাম 




















