ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক রাতে পর্তুগালের বিশ্বকাপ মিশন শুরু, মুখোমুখি কঙ্গো

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী পর্তুগাল এবার তাদের অপূর্ণতা ঘোচাতে চাইছে বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের মাধ্যমে। বর্ণিল ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে থাকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে বিশ্ব শিরোপা উপহার দিতে মরিয়া পর্তুগিজ দল। আজ বুধবার রাত ১১টায় ২০২৬ বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে যাচ্ছে তারা। গ্রুপ ‘কে’-এর উদ্বোধনী ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ আফ্রিকার শক্তিশালী দল ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (কঙ্গো ডিআর)। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচটি ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে, কারণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে দল দুটি এবারই প্রথম একে অপরের মুখোমুখি হচ্ছে।

কাগজে-কলমে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল এই ম্যাচে নিরঙ্কুশ ফেভারিট। যদি কঙ্গো ডিআর কোনো অঘটন ঘটাতে পারে, তবে তা এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম বড় চমক হবে। ‘সেলেসাও দাস কুনাস’ খ্যাত পর্তুগাল দলে তারকার অভাব নেই। স্কোয়াডের গভীরতা এবং খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত দক্ষতার কারণে অনেকেই তাদের এবারের অন্যতম শিরোপার দাবিদার ভাবছেন। তবে বিশ্বকাপে পর্তুগালের ইতিহাস খুব একটা মসৃণ নয়। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়াটাই এখন পর্যন্ত তাদের সেরা সাফল্য। এরপর ২০০৬ সালে তারা চতুর্থ স্থান অর্জন করে এবং সর্বশেষ কাতার বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই তাদের বিদায় নিতে হয়েছিল। ২০১৬ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জিতলেও বিশ্বকাপের এই অধরা ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরতে মরিয়া হয়ে আছেন দলটির মহানায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

রবার্তো মার্টিনেজের অধীনে পর্তুগাল দারুণ ফর্মে রয়েছে। বাছাই পর্বে আর্মেনিয়াকে ৯-১ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সাম্প্রতিক প্রীতি ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্র, চিলি ও নাইজেরিয়াকে হারিয়ে টানা তিন জয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে আছে তারা। তবে গত বছরের নভেম্বরের মাঝামাঝি রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ডের কাছে পরাজয় দলটির রক্ষণভাগ ও বড় মঞ্চে চাপ সামলানোর ক্ষমতা নিয়ে কিছুটা প্রশ্ন রেখে গেছে।

অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর জন্য এই ম্যাচটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। দীর্ঘ ৫২ বছর পর তারা বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। গত মার্চ মাসে মেক্সিকোতে আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ ফাইনালে আক্সেল তুয়ানজেবের অতিরিক্ত সময়ের গোলে জ্যামাইকাকে হারিয়ে তারা বিশ্বকাপে খেলার টিকিট নিশ্চিত করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এসি ও সিসি ক্যামেরার আড়ালে মাদক সাম্রাজ্য: নোয়াখালীতে বিলাসবহুল আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ঐতিহাসিক রাতে পর্তুগালের বিশ্বকাপ মিশন শুরু, মুখোমুখি কঙ্গো

আপডেট সময় : ১১:৫০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী পর্তুগাল এবার তাদের অপূর্ণতা ঘোচাতে চাইছে বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের মাধ্যমে। বর্ণিল ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে থাকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে বিশ্ব শিরোপা উপহার দিতে মরিয়া পর্তুগিজ দল। আজ বুধবার রাত ১১টায় ২০২৬ বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে যাচ্ছে তারা। গ্রুপ ‘কে’-এর উদ্বোধনী ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ আফ্রিকার শক্তিশালী দল ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (কঙ্গো ডিআর)। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচটি ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে, কারণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে দল দুটি এবারই প্রথম একে অপরের মুখোমুখি হচ্ছে।

কাগজে-কলমে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল এই ম্যাচে নিরঙ্কুশ ফেভারিট। যদি কঙ্গো ডিআর কোনো অঘটন ঘটাতে পারে, তবে তা এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম বড় চমক হবে। ‘সেলেসাও দাস কুনাস’ খ্যাত পর্তুগাল দলে তারকার অভাব নেই। স্কোয়াডের গভীরতা এবং খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত দক্ষতার কারণে অনেকেই তাদের এবারের অন্যতম শিরোপার দাবিদার ভাবছেন। তবে বিশ্বকাপে পর্তুগালের ইতিহাস খুব একটা মসৃণ নয়। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়াটাই এখন পর্যন্ত তাদের সেরা সাফল্য। এরপর ২০০৬ সালে তারা চতুর্থ স্থান অর্জন করে এবং সর্বশেষ কাতার বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই তাদের বিদায় নিতে হয়েছিল। ২০১৬ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জিতলেও বিশ্বকাপের এই অধরা ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরতে মরিয়া হয়ে আছেন দলটির মহানায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

রবার্তো মার্টিনেজের অধীনে পর্তুগাল দারুণ ফর্মে রয়েছে। বাছাই পর্বে আর্মেনিয়াকে ৯-১ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সাম্প্রতিক প্রীতি ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্র, চিলি ও নাইজেরিয়াকে হারিয়ে টানা তিন জয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে আছে তারা। তবে গত বছরের নভেম্বরের মাঝামাঝি রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ডের কাছে পরাজয় দলটির রক্ষণভাগ ও বড় মঞ্চে চাপ সামলানোর ক্ষমতা নিয়ে কিছুটা প্রশ্ন রেখে গেছে।

অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর জন্য এই ম্যাচটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। দীর্ঘ ৫২ বছর পর তারা বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। গত মার্চ মাসে মেক্সিকোতে আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ ফাইনালে আক্সেল তুয়ানজেবের অতিরিক্ত সময়ের গোলে জ্যামাইকাকে হারিয়ে তারা বিশ্বকাপে খেলার টিকিট নিশ্চিত করে।