ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

ইরান গর্ব ও মর্যাদার প্রতীক: হিজবুল্লাহ মহাসচিব

লেবানন ভিত্তিক সংগঠন হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেম ইরানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দেশটিকে ‘গর্ব ও মর্যাদার প্রতীক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি তেহরানে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের কাছে পাঠানো এক বার্তায় এই মন্তব্য করেন।

বার্তায় কাসেম বলেন, ইরানের কূটনৈতিক তৎপরতা ও আলোচনার ফলেই ইসরাইল লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। তাঁর দাবি, এটি ছিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সমঝোতার ‘প্রথম ও মৌলিক শর্ত’।

হিজবুল্লাহ প্রধান আরও বলেন, ‘আমরা সবসময় বলে এসেছি, ইরান হিজবুল্লাহ, প্রতিরোধ আন্দোলন এবং লেবাননের জনগণকে সবকিছু দিয়েছে, কিন্তু বিনিময়ে কিছুই নেয়নি। তারা আমাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা দিয়েছে, ভূমি মুক্ত করার শক্তি দিয়েছে, সমাজের ক্ষত সারিয়ে তুলতে এবং জনগণকে সহায়তা করতে সাহায্য করেছে।’

তিনি বলেন, ‘আজ ইরান নিজেদের রক্ত দিচ্ছে এবং বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে বোমা হামলার জবাবে জায়নবাদী সত্তার বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে যুদ্ধের হুমকি ও এর পরিণতি মোকাবিলা করছে এবং বড় ধরনের ত্যাগ স্বীকার করছে।’ নাঈম কাসেম স্পষ্টভাবে বলেন, ‘ইরান গর্ব ও মর্যাদার এক প্রতীক।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরের পার্কে বিদেশি নাগরিকদের হেনস্তার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

ইরান গর্ব ও মর্যাদার প্রতীক: হিজবুল্লাহ মহাসচিব

আপডেট সময় : ০৯:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

লেবানন ভিত্তিক সংগঠন হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেম ইরানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দেশটিকে ‘গর্ব ও মর্যাদার প্রতীক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি তেহরানে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের কাছে পাঠানো এক বার্তায় এই মন্তব্য করেন।

বার্তায় কাসেম বলেন, ইরানের কূটনৈতিক তৎপরতা ও আলোচনার ফলেই ইসরাইল লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। তাঁর দাবি, এটি ছিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সমঝোতার ‘প্রথম ও মৌলিক শর্ত’।

হিজবুল্লাহ প্রধান আরও বলেন, ‘আমরা সবসময় বলে এসেছি, ইরান হিজবুল্লাহ, প্রতিরোধ আন্দোলন এবং লেবাননের জনগণকে সবকিছু দিয়েছে, কিন্তু বিনিময়ে কিছুই নেয়নি। তারা আমাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা দিয়েছে, ভূমি মুক্ত করার শক্তি দিয়েছে, সমাজের ক্ষত সারিয়ে তুলতে এবং জনগণকে সহায়তা করতে সাহায্য করেছে।’

তিনি বলেন, ‘আজ ইরান নিজেদের রক্ত দিচ্ছে এবং বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে বোমা হামলার জবাবে জায়নবাদী সত্তার বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে যুদ্ধের হুমকি ও এর পরিণতি মোকাবিলা করছে এবং বড় ধরনের ত্যাগ স্বীকার করছে।’ নাঈম কাসেম স্পষ্টভাবে বলেন, ‘ইরান গর্ব ও মর্যাদার এক প্রতীক।’