ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

যুদ্ধাহত মৃদুল রাণীর পাশে পরশুরাম উপজেলা প্রশাসন

সংবাদ প্রকাশের পর ফেনীর পরশুরামে যুদ্ধাহত মৃদুল রাণীর পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। গত মঙ্গলবার দুপুরে পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া সুলতানা পৌর এলাকার বাউরখুমায় মৃদুল রাণীর বাড়িতে যান এবং তার স্বামী আনন্দ রায়ের চায়ের দোকানের জন্য সরঞ্জাম ও পরিবারের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র প্রদান করেন।

সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘পাকবাহিনীর পুতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে পা হারানো মৃদুল রাণীর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির’ দাবিতে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৪ আগস্টে পাকবাহিনীর পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে মৃদুল রাণীর ডান পা কোমর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তিনি জানান, বিলোনিয়ার আমজাদনগরে মুক্তিযোদ্ধাদের শক্ত ঘাঁটি ছিল এবং বাবার সহায়তায় সেখানে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য খাবার রান্না করতেন। বাড়ি থেকে আমজাদনগরে যাওয়ার পথে পাকিস্তানি বাহিনীর পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে তিনি পঙ্গুত্ব বরণ করেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধের ৫৫ বছর পরও প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও তিনি মুক্তিযুদ্ধের কোনো স্বীকৃতি পাননি। ইউএনও সাদিয়া সুলতানা জানিয়েছেন, যুদ্ধাহত মৃদুল রাণীকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক সহযোগিতা করা হয়েছে এবং তাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায় মধ্যস্থতায় পাকিস্তান, বৈঠক নিয়ে কাটছে না ধোঁয়াশা

যুদ্ধাহত মৃদুল রাণীর পাশে পরশুরাম উপজেলা প্রশাসন

আপডেট সময় : ১০:৩৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

সংবাদ প্রকাশের পর ফেনীর পরশুরামে যুদ্ধাহত মৃদুল রাণীর পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। গত মঙ্গলবার দুপুরে পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া সুলতানা পৌর এলাকার বাউরখুমায় মৃদুল রাণীর বাড়িতে যান এবং তার স্বামী আনন্দ রায়ের চায়ের দোকানের জন্য সরঞ্জাম ও পরিবারের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র প্রদান করেন।

সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘পাকবাহিনীর পুতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে পা হারানো মৃদুল রাণীর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির’ দাবিতে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৪ আগস্টে পাকবাহিনীর পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে মৃদুল রাণীর ডান পা কোমর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তিনি জানান, বিলোনিয়ার আমজাদনগরে মুক্তিযোদ্ধাদের শক্ত ঘাঁটি ছিল এবং বাবার সহায়তায় সেখানে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য খাবার রান্না করতেন। বাড়ি থেকে আমজাদনগরে যাওয়ার পথে পাকিস্তানি বাহিনীর পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে তিনি পঙ্গুত্ব বরণ করেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধের ৫৫ বছর পরও প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও তিনি মুক্তিযুদ্ধের কোনো স্বীকৃতি পাননি। ইউএনও সাদিয়া সুলতানা জানিয়েছেন, যুদ্ধাহত মৃদুল রাণীকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক সহযোগিতা করা হয়েছে এবং তাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।