সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আদালতের সিঁড়ি দিয়ে নামানোর সময় ভিড়ে পড়ে গিয়ে ব্যথায় চিৎকার করেছেন। এ সময় পুলিশ সদস্যরা তাকে টেনে ধরেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে শুনানি শেষে শিরীন শারমিনকে রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা। এরপর হাজতখানায় নেওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটের দিকে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রিমান্ড আবেদন শুনানির জন্য বিকেল সোয়া ৩টার দিকে তাকে এজলাসে তোলা হয়। এ সময় পুলিশের কড়া নিরাপত্তা দিতে দেখা যায়। তবে আদালতে তোলার সময় আইনজীবী, সাংবাদিক ও পুলিশের বাড়তি উপস্থিতিতে ভিড় দেখা যায়। এ সময় প্রচণ্ড ঠেলাঠেলির মধ্যে তাকে এজলাসে তোলা হয় এবং ভিড় ও গরমে তিনি নাজেহাল হয়ে পড়েন।
শুনানি শেষে আদালত তাকে রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর হাজতখানায় ভিড় ঠেলে নিয়ে যাওয়ার সময় সিঁড়িতে পড়ে যান শিরীন শারমিন। এর আগে ভোরে ধানমন্ডির ৮/এ রোডের বাসা থেকে সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ডে আন্দোলন চলছিল। সেখানে দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। একটি গুলি আশরাফুল ওরফে ফাহিমের চোখে লাগে। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি। এ ঘটনায় গত বছরের ২৫ মে শেখ হাসিনাসহ ১৩০ জনের নাম উল্লেখ এবং অচেনা ১১৫-১২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন আশরাফুল।
রিপোর্টারের নাম 






















