বিশ্বের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো সংঘাত বাংলাদেশের মতো শ্রমনির্ভর অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করে। ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা দীর্ঘায়িত হলে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে। দেশের মোট বৈদেশিক আয়ের একটি বড় অংশ আসে মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের মাধ্যমে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ৬০ শতাংশই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। এর মধ্যে শুধু সৌদি আরব থেকেই আসে ২৫ শতাংশ আয়। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও কুয়েতের অবদানও অনস্বীকার্য। মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা বাড়লে দেশগুলোতে অবকাঠামো নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থমকে যেতে পারে, যার ফলে নতুন শ্রমিক নিয়োগের চাহিদা অনেকাংশে হ্রাস পাবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, যুদ্ধের প্রভাবে বেসরকারি বিনিয়োগ কমে গেলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের প্রবাসী কর্মীরা। এই সংকট মোকাবিলায় সরকারকে এখনই বিকল্প শ্রমবাজার অনুসন্ধান এবং কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
রিপোর্টারের নাম 

























