ঢাকা ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

পরশুরামে পুকুরে বিষক্রিয়ায় ১০ টন মাছ নিধন, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

ফেনীর পরশুরামে একটি পুকুরে কীটনাশক প্রয়োগ করে আনুমানিক ১০ টন মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ভুক্তভোগী মাছ চাষী শাহাদাত হোসেনের প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে পরশুরাম পৌরসভার উত্তর কোলাপাড়া এলাকায়।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে শাহাদাত হোসেনের মালিকানাধীন পুকুরে মৃত মাছ ভেসে উঠতে দেখে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। প্রায় ১০০ শতক আয়তনের এই পুকুরে তিনি মাছ চাষ করছিলেন। হঠাৎ করে মাছগুলো অস্বাভাবিকভাবে মারা যেতে শুরু করলে তিনি বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো দুষ্কৃতিকারী রাতের অন্ধকারে পুকুরে জমিতে ব্যবহৃত কীটনাশক প্রয়োগ করেছে।

ভুক্তভোগী শাহাদাত হোসেন জানান, তার কোনো শত্রু নেই এবং কে বা কারা এই ঘৃণ্য কাজ করেছে তা তিনি জানেন না। তিনি বলেন, ‘যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কাজ করে থাকে, তবে তার বিচার আল্লাহ করবেন।’ তিনি আরও জানান, যে কোম্পানির খাদ্য ও ওষুধ তিনি ব্যবহার করেন, তাদের তথ্য অনুযায়ী এটি কীটনাশক প্রয়োগের ফলেই হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কয়েকদিনের মধ্যেই মাছগুলো বাজারে বিক্রি করার কথা ছিল, যা তার আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে।

এ বিষয়ে পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশ্রাফুল ইসলাম জানান, তারা এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অধ্যাদেশ ও সংস্কার ইস্যুতে সরকারের ইউ-টার্ন

পরশুরামে পুকুরে বিষক্রিয়ায় ১০ টন মাছ নিধন, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

আপডেট সময় : ১১:২৯:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

ফেনীর পরশুরামে একটি পুকুরে কীটনাশক প্রয়োগ করে আনুমানিক ১০ টন মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ভুক্তভোগী মাছ চাষী শাহাদাত হোসেনের প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে পরশুরাম পৌরসভার উত্তর কোলাপাড়া এলাকায়।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে শাহাদাত হোসেনের মালিকানাধীন পুকুরে মৃত মাছ ভেসে উঠতে দেখে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। প্রায় ১০০ শতক আয়তনের এই পুকুরে তিনি মাছ চাষ করছিলেন। হঠাৎ করে মাছগুলো অস্বাভাবিকভাবে মারা যেতে শুরু করলে তিনি বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো দুষ্কৃতিকারী রাতের অন্ধকারে পুকুরে জমিতে ব্যবহৃত কীটনাশক প্রয়োগ করেছে।

ভুক্তভোগী শাহাদাত হোসেন জানান, তার কোনো শত্রু নেই এবং কে বা কারা এই ঘৃণ্য কাজ করেছে তা তিনি জানেন না। তিনি বলেন, ‘যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কাজ করে থাকে, তবে তার বিচার আল্লাহ করবেন।’ তিনি আরও জানান, যে কোম্পানির খাদ্য ও ওষুধ তিনি ব্যবহার করেন, তাদের তথ্য অনুযায়ী এটি কীটনাশক প্রয়োগের ফলেই হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কয়েকদিনের মধ্যেই মাছগুলো বাজারে বিক্রি করার কথা ছিল, যা তার আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে।

এ বিষয়ে পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশ্রাফুল ইসলাম জানান, তারা এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।