চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানার ময়দার মিল এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ফাহিম (১২) নামে এক শিশুসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ফাহিম, মো. হাসান, জসিম এবং ইসমাইল মিয়া রয়েছেন।
বাকলিয়ার ময়দার মিলের পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা মো. কালামের ছেলে ফাহিম বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, শিশুটির পায়ের হাঁটুর পুরো অংশে গুলির আঘাত লেগেছে। অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে, তবে তার জীবনহানির আশঙ্কা নেই এবং তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, ময়দার মিল এলাকায় সন্ত্রাসীদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। এই ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ময়দার মিল এলাকায় বেশ কিছুদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল এবং এর ফলে ফাহিমের মতো সাধারণ মানুষও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত নিরাপত্তা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন।
পুলিশের ভাষ্যমতে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী মোরশেদ খানের অনুসারীরা প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী আব্দুস সোবাহান ও শওকতের অনুসারীদের লক্ষ্য করে ছররা গুলি ছোড়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। নগর পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মোরশেদ খান নিজেকে বিএনপি নেতা হিসেবে পরিচয় দেন এবং তার নাম পুলিশের তালিকাভুক্ত দুষ্কৃতকারীদের মধ্যে রয়েছে।
পুলিশের দক্ষিণের উপ-পুলিশ কমিশনার হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া জানিয়েছেন, গোলাগুলির পর অভিযান চালিয়ে ফারুক হোসেন নামে একজনের বাসা থেকে একটি শর্টগান ও দুটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের খবর পেয়ে সে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























