ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

কৃষিতে জিয়াউর রহমানের অবদান অনস্বীকার্য: কিশোরগঞ্জ-২ আসনের এমপি

কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই বাংলাদেশের কৃষি খাতে আধুনিক বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল। তিনিই প্রথম কোদাল-কাস্তে নিয়ে মাঠে নেমে খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষির উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। শনিবার সকালে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এমপি জালাল উদ্দিন আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তার পিতার দেখানো পথেই কৃষি ও কৃষকের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছেন। বিএনপি সরকারের আমলের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, সেই সময়ে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করা হয়েছিল। সরকারের এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কৃষি ও কৃষকের সমৃদ্ধিতে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

পাকুন্দিয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূপম দাস। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০২৫-২০২৬ মৌসুমে আউশ ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৫ হাজার কৃষককে ৫ কেজি করে বীজ এবং ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার প্রদান করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দম’ জয় করছে আমেরিকা, ‘প্রেশার কুকার’ যাচ্ছে লন্ডনে

কৃষিতে জিয়াউর রহমানের অবদান অনস্বীকার্য: কিশোরগঞ্জ-২ আসনের এমপি

আপডেট সময় : ০২:২৬:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই বাংলাদেশের কৃষি খাতে আধুনিক বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল। তিনিই প্রথম কোদাল-কাস্তে নিয়ে মাঠে নেমে খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষির উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। শনিবার সকালে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এমপি জালাল উদ্দিন আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তার পিতার দেখানো পথেই কৃষি ও কৃষকের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছেন। বিএনপি সরকারের আমলের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, সেই সময়ে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করা হয়েছিল। সরকারের এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কৃষি ও কৃষকের সমৃদ্ধিতে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

পাকুন্দিয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূপম দাস। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০২৫-২০২৬ মৌসুমে আউশ ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৫ হাজার কৃষককে ৫ কেজি করে বীজ এবং ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার প্রদান করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।