ঢাকা ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

১৪ এপ্রিল ১০ উপজেলায় শুরু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ: উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের কৃষকদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের প্রি-পাইলট কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইল সদরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক চিঠির মাধ্যমে এই কর্মসূচির বিস্তারিত জানিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে দেশের ১০টি উপজেলায় একযোগে এই কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। উপজেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে টাঙ্গাইল সদর, পঞ্চগড় সদর, বোদা, শিবগঞ্জ, শৈলকুপা, নেছারাবাদ, টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর, ইসলামপুর, গোয়ালন্দ এবং মৌলভীবাজারের জুড়ী। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি বিভিন্ন সরকারি প্রণোদনা ও ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

শনিবার সরকারি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এই উদ্যোগটি দেশের কৃষি খাতে ডিজিটাল রূপান্তরের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা প্রান্তিক কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শর্ত না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাতিলের হুঁশিয়ারি ইরানের

১৪ এপ্রিল ১০ উপজেলায় শুরু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ: উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:০৯:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

দেশের কৃষকদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের প্রি-পাইলট কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইল সদরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক চিঠির মাধ্যমে এই কর্মসূচির বিস্তারিত জানিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে দেশের ১০টি উপজেলায় একযোগে এই কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। উপজেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে টাঙ্গাইল সদর, পঞ্চগড় সদর, বোদা, শিবগঞ্জ, শৈলকুপা, নেছারাবাদ, টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর, ইসলামপুর, গোয়ালন্দ এবং মৌলভীবাজারের জুড়ী। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি বিভিন্ন সরকারি প্রণোদনা ও ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

শনিবার সরকারি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এই উদ্যোগটি দেশের কৃষি খাতে ডিজিটাল রূপান্তরের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা প্রান্তিক কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।