ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

আদালত অবমাননায় যুবলীগ নেতার ২ মাসের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আদালত অবমাননার দায়ে যুবলীগ নেতা এম এস বাবু পাটোয়ারিকে দুই মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেছে। রোববার দুপুরে তিনি ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করার পর শুনানি শেষে এই আদেশ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল আদালত অবমাননার দায়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। এর আগে গত ৪ এপ্রিল বাবু ফেসবুকে এক পোস্টে দাবি করেন যে, শেখ হাসিনাকে সাজানো মামলায় মৃত্যুদণ্ড দিতে বিভিন্ন দেশ ও গোষ্ঠীর কাছ থেকে আসিফ নজরুল, শিশির মনির, তাজুল ইসলাম এবং বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা নিয়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব করে কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভ পরিবর্তন করা হয়েছে এবং প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম পালিয়ে গেছেন। অন্যরাও যেকোনো সময় পালিয়ে যেতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

বাবু আরও লেখেন, যদি এই প্রতারক চক্র বিনা বিচারে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়, তবে তার দায়-দায়িত্ব বর্তমান সরকারকে নিতে হবে। তিনি বাংলাদেশের সংবিধানের উল্লেখ করে বলেন যে, কেউ আইন ও বিচারের ঊর্ধ্বে নয়। তিনি অভিযোগ করেন যে, গত ২০ মাস ধরে মিথ্যাবাদী আসিফ নজরুল, আইনজীবী শিশির মনির, প্রতারক প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম এবং বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে তামাশা করেছেন এবং তারা শাস্তি পাওয়ার যোগ্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

আদালত অবমাননায় যুবলীগ নেতার ২ মাসের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আদালত অবমাননার দায়ে যুবলীগ নেতা এম এস বাবু পাটোয়ারিকে দুই মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেছে। রোববার দুপুরে তিনি ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করার পর শুনানি শেষে এই আদেশ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল আদালত অবমাননার দায়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। এর আগে গত ৪ এপ্রিল বাবু ফেসবুকে এক পোস্টে দাবি করেন যে, শেখ হাসিনাকে সাজানো মামলায় মৃত্যুদণ্ড দিতে বিভিন্ন দেশ ও গোষ্ঠীর কাছ থেকে আসিফ নজরুল, শিশির মনির, তাজুল ইসলাম এবং বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা নিয়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব করে কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভ পরিবর্তন করা হয়েছে এবং প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম পালিয়ে গেছেন। অন্যরাও যেকোনো সময় পালিয়ে যেতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

বাবু আরও লেখেন, যদি এই প্রতারক চক্র বিনা বিচারে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়, তবে তার দায়-দায়িত্ব বর্তমান সরকারকে নিতে হবে। তিনি বাংলাদেশের সংবিধানের উল্লেখ করে বলেন যে, কেউ আইন ও বিচারের ঊর্ধ্বে নয়। তিনি অভিযোগ করেন যে, গত ২০ মাস ধরে মিথ্যাবাদী আসিফ নজরুল, আইনজীবী শিশির মনির, প্রতারক প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম এবং বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে তামাশা করেছেন এবং তারা শাস্তি পাওয়ার যোগ্য।